ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভেঙে আগাম নির্বাচন দেবেন জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আগাম নির্বাচন ঘোষণার কথা বিবেচনা করছেন জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি।

শনিবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের প্রতি জনসমর্থন তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকায় সেই সুযোগ কাজে লাগাতেই দ্রুত নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়টি ভাবছেন তিনি।

গত অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন তাকাইচি। বর্তমানে তার মন্ত্রিসভার জনপ্রিয়তা প্রায় ৭০ শতাংশ বলে জরিপে উঠে এসেছে।

তবে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তার নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সীমিত, যার ফলে তার উচ্চাভিলাষী নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

ইয়োমিউরি ও মাইনিচি পত্রিকা সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, ২৩ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া পার্লামেন্ট অধিবেশনের শুরুতেই নিম্নকক্ষ ভেঙে দেওয়ার কথা ভাবছেন তাকাইচি।

ইয়োমিউরি জানায়, এমনটি হলে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে মধ্যভাগের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

মাইনিচি পত্রিকা জানিয়েছে, তাকাইচির প্রশাসনের ভেতরে একটি শক্ত মত রয়েছে যে, সমর্থন হারানোর আগেই পার্লামেন্ট ভেঙে নির্বাচন দেওয়া উচিত, যাতে সরকারের ভিত্তি আরও শক্ত করা যায়। তবে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনও সূত্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তার দল লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি গত নভেম্বর মাসে নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তিনজন সংসদ সদস্য এলডিপিতে যোগ দেওয়ার পর। তবে উচ্চকক্ষে এখনও ক্ষমতাসীন জোটের সংগরিষ্ঠতা নেই।

ইয়োমিউরি জানায়, বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তাকাইচি আরও সক্রিয় রাজস্ব ব্যয় নীতি ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

এতে চীনের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থাও কাটতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

গত নভেম্বরে তাকাইচি মন্তব্য করেছিলেন, চীন যদি কখনও তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এরপর থেকেই বেইজিং ও টোকিওর সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

চীন জাপানে সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য ‘ডুয়াল-ইউজ’ পণ্যের রফতানিতে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিরল খনিজ রফতানিও সীমিত করছে বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সংসদ ভেঙে আগাম নির্বাচন দেবেন জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি

আপডেট সময় ১২:৪০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আগাম নির্বাচন ঘোষণার কথা বিবেচনা করছেন জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি।

শনিবার দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের প্রতি জনসমর্থন তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে থাকায় সেই সুযোগ কাজে লাগাতেই দ্রুত নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়টি ভাবছেন তিনি।

গত অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন তাকাইচি। বর্তমানে তার মন্ত্রিসভার জনপ্রিয়তা প্রায় ৭০ শতাংশ বলে জরিপে উঠে এসেছে।

তবে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তার নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সীমিত, যার ফলে তার উচ্চাভিলাষী নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

ইয়োমিউরি ও মাইনিচি পত্রিকা সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, ২৩ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া পার্লামেন্ট অধিবেশনের শুরুতেই নিম্নকক্ষ ভেঙে দেওয়ার কথা ভাবছেন তাকাইচি।

ইয়োমিউরি জানায়, এমনটি হলে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে মধ্যভাগের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

মাইনিচি পত্রিকা জানিয়েছে, তাকাইচির প্রশাসনের ভেতরে একটি শক্ত মত রয়েছে যে, সমর্থন হারানোর আগেই পার্লামেন্ট ভেঙে নির্বাচন দেওয়া উচিত, যাতে সরকারের ভিত্তি আরও শক্ত করা যায়। তবে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনও সূত্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তার দল লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি গত নভেম্বর মাসে নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তিনজন সংসদ সদস্য এলডিপিতে যোগ দেওয়ার পর। তবে উচ্চকক্ষে এখনও ক্ষমতাসীন জোটের সংগরিষ্ঠতা নেই।

ইয়োমিউরি জানায়, বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তাকাইচি আরও সক্রিয় রাজস্ব ব্যয় নীতি ও শক্তিশালী গোয়েন্দা সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

এতে চীনের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থাও কাটতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

গত নভেম্বরে তাকাইচি মন্তব্য করেছিলেন, চীন যদি কখনও তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। এরপর থেকেই বেইজিং ও টোকিওর সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

চীন জাপানে সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য ‘ডুয়াল-ইউজ’ পণ্যের রফতানিতে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় বিরল খনিজ রফতানিও সীমিত করছে বলে জানা গেছে।