ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে ‘রেড লাইন’ ঘোষণা ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ অনেক লোভ দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ, জেলে লোক পাঠিয়ে মন্ত্রী হতে বলেছেন হাসিনা: আমির খসরু বিগত ১৫ বছরে পুলিশ দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল : আইজিপি ২২ জানুয়ারি ভোটের প্রচারে মাঠে নামছেন তারেক রহমান রাজধানীর বনশ্রীতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা দেশকে ধ্বংসস্তুূপ থেকে উদ্ধার করতে একমাত্র প্রয়োজন বিএনপি সরকার :খায়রুল কবির খোকন সব সরকারি অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা বাংলাদেশিদের জন্য বি-১ ভিসা বন্ড পুনর্বিবেচনার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম

যে অন্যায় করবে তার বিরুদ্ধে আমি বলে যাব, কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে: রুমিন ফারহানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আপনারা দেখেছেন, শক্তিশালী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে কিভাবে কথা বলেছি। যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধেই আমি বলে যাব। আমি শেখ হাসিনাকে চোখ রাঙায়ে চলে আসছি। আর কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কুচনী গ্রামে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমার ভরসা আল্লাহ তায়ালা। আমার ভয় আল্লাহকে। জমিনে ফয়সালা হয়— এটা আমি বিশ্বাস করি না। তাই জমিনের কাউকে আমি ভয় করি না।

রুমিন ফারহানা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নেতাকর্মীদের একটাই দাবি ছিল দলের প্রার্থী দেওয়ার। এমন তো না যে দলের প্রার্থী ছিল না; কিন্তু ভাড়া করতে হইল প্রার্থী! সেই প্রার্থীর মার্কা খেজুর গাছ। এখন শুনতে হয় ধানই নাকি খেজুর গাছ।

তিনি বলেন, আমি যদি কই হাঁসই হইলো বাঘ, তাইলে কি হইব? হাঁস হইল হাঁস, বাঘ হইলো বাঘ। খেঁজুর গাছ হইলো মরুভূমির গাছ, আর ধান হইলো আমাদের প্রাণ।

চাঁদাবাজ, ব্যবসা দখলকারী ও বালু লুটকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে এক দল যাবে, আরেক দল আসবে। তাই বলে দুই মাসে দুইশ কোটি টাকার মালিক হতে হবে, তা কিন্তু ঠিক না। মানুষ কিন্তু এমনিতে কিছু বলে না; কিন্তু মানুষ জেগে ওঠলে কী অবস্থা হয়, ৫ আগস্ট সেটা শেখ হাসিনা টের পাইছিল।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন রুমিন ফারহানা। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ার বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যে অন্যায় করবে তার বিরুদ্ধে আমি বলে যাব, কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:২০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আপনারা দেখেছেন, শক্তিশালী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে কিভাবে কথা বলেছি। যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধেই আমি বলে যাব। আমি শেখ হাসিনাকে চোখ রাঙায়ে চলে আসছি। আর কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কুচনী গ্রামে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমার ভরসা আল্লাহ তায়ালা। আমার ভয় আল্লাহকে। জমিনে ফয়সালা হয়— এটা আমি বিশ্বাস করি না। তাই জমিনের কাউকে আমি ভয় করি না।

রুমিন ফারহানা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নেতাকর্মীদের একটাই দাবি ছিল দলের প্রার্থী দেওয়ার। এমন তো না যে দলের প্রার্থী ছিল না; কিন্তু ভাড়া করতে হইল প্রার্থী! সেই প্রার্থীর মার্কা খেজুর গাছ। এখন শুনতে হয় ধানই নাকি খেজুর গাছ।

তিনি বলেন, আমি যদি কই হাঁসই হইলো বাঘ, তাইলে কি হইব? হাঁস হইল হাঁস, বাঘ হইলো বাঘ। খেঁজুর গাছ হইলো মরুভূমির গাছ, আর ধান হইলো আমাদের প্রাণ।

চাঁদাবাজ, ব্যবসা দখলকারী ও বালু লুটকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে এক দল যাবে, আরেক দল আসবে। তাই বলে দুই মাসে দুইশ কোটি টাকার মালিক হতে হবে, তা কিন্তু ঠিক না। মানুষ কিন্তু এমনিতে কিছু বলে না; কিন্তু মানুষ জেগে ওঠলে কী অবস্থা হয়, ৫ আগস্ট সেটা শেখ হাসিনা টের পাইছিল।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন রুমিন ফারহানা। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ার বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।