ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বরগুনায় বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে ঘুস দেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ কর্মকর্তা আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বরগুনার পাথরঘাটায় সিআর মামলায় রাজু নামে এক আসামির জামিন নিতে বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে ঘুস দিতে গিয়ে পাথরঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়। পরে থানার ওসি ও সহকারী পুলিশ সুপারের (পাথরঘাটা সার্কেল) জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মো. সাহেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার দুপুর ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা ৫টার দিকে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই খুদাকে অবহিত করলে তার অনুরোধে বিভাগীয় মামলার শর্তে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা ও সহকারী পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মো. সাহেদ চৌধুরীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

আদালতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সোমবার দুপুর ২টার সময় পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালীন এসআই শাহরিয়ার জালাল অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেন। সালাম বিনিময়ের পর আদালতের মামলার একটি কাগজ দেখিয়ে আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন তিনি।

এ সময় তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামিকে জামিন দিয়ে একটি রি-কলের ব্যবস্থা করে দেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই বেআইনি তদবিরে বিব্রত বোধ করেন। ম্যাজিস্ট্রেটকে অবৈধভাবে প্ররোচিত-প্রভাবিত করার অভিপ্রায়ে ঘুস হিসেবে টাকা দিতে চান শাহারিয়ার। এ সময় অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় কোর্ট পুলিশের সিএসআই, জিআরও এবং আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অত্র আদালতেই ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ারকে আটক করেন। তাৎক্ষণিক পাথরঘাটা থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাথরঘাটা সার্কেল বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি বিভাগীয় মামলার আশ্বাস দিলে এসআইকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত এসআই শাহরিয়ার জালালের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। থানায় গিয়েও তার খোঁজ মেলেনি।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা জানান, বিচারক অর্ডার সিটে যেটা ডিসাইড করবেন সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেট এবং এসআই শাহরিয়ার জালালের ব্যাপার। এর বেশি কিছু বলতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বরগুনায় বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে ঘুস দেওয়ার চেষ্টা, পুলিশ কর্মকর্তা আটক

আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বরগুনার পাথরঘাটায় সিআর মামলায় রাজু নামে এক আসামির জামিন নিতে বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে ঘুস দিতে গিয়ে পাথরঘাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহরিয়ার জালালকে আটক করা হয়। পরে থানার ওসি ও সহকারী পুলিশ সুপারের (পাথরঘাটা সার্কেল) জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মো. সাহেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার দুপুর ২টার দিকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা ৫টার দিকে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার কুদরত-ই খুদাকে অবহিত করলে তার অনুরোধে বিভাগীয় মামলার শর্তে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা ও সহকারী পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মো. সাহেদ চৌধুরীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

আদালতের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সোমবার দুপুর ২টার সময় পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. পনির শেখ তার খাস কামরায় অবস্থানকালীন এসআই শাহরিয়ার জালাল অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেন। সালাম বিনিময়ের পর আদালতের মামলার একটি কাগজ দেখিয়ে আসামি মো. রাজু মিয়ার জামিনের সুপারিশ করেন তিনি।

এ সময় তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামিকে জামিন দিয়ে একটি রি-কলের ব্যবস্থা করে দেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই বেআইনি তদবিরে বিব্রত বোধ করেন। ম্যাজিস্ট্রেটকে অবৈধভাবে প্ররোচিত-প্রভাবিত করার অভিপ্রায়ে ঘুস হিসেবে টাকা দিতে চান শাহারিয়ার। এ সময় অসদাচরণ ও ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় কোর্ট পুলিশের সিএসআই, জিআরও এবং আদালতের সহায়ক কর্মচারীদের উপস্থিতিতে অত্র আদালতেই ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ারকে আটক করেন। তাৎক্ষণিক পাথরঘাটা থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাথরঘাটা সার্কেল বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারকে জানালে তিনি বিভাগীয় মামলার আশ্বাস দিলে এসআইকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত এসআই শাহরিয়ার জালালের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। থানায় গিয়েও তার খোঁজ মেলেনি।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মংচেনলা জানান, বিচারক অর্ডার সিটে যেটা ডিসাইড করবেন সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেট এবং এসআই শাহরিয়ার জালালের ব্যাপার। এর বেশি কিছু বলতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।