ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বগুড়ায় চার বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বগুড়ার কাহালুতে চার বছরের শিশু মুশফিকাকে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে হত্যার পর মা জুলেখা খাতুন (২৪) ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ডেপুইল গ্রামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ডেপুইল গ্রামের অটোরিকশাচালক আবদুল মোমিন ২০১৯ সালে করোনার আগে জুলেখা খাতুনকে বিয়ে করেন। বৃহস্পতিবার সকালে মোমিন অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দুপুরের আগে বাড়িতে ফোন দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানের কোনো সাড়া পাননি। তিনি বাড়িতে এসে দেখেন ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা।

খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে কাহালু থানা পুলিশ ওই বাড়িতে আসে। তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন, শিশু মুশফিকার মরদেহ বিছানায় ও ঘরের আড়ার সঙ্গে জুলেখা খাতুনের লাশ ঝুলছে। পরে পুলিশ মা ও শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে বিছানায় পাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি আমার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যা করলাম। আমাদের এ মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’

অটোচালক আবদুল মোমিন জানান, তাদের কোনো দাম্পত্য কলহ ছিল না। তবে তার স্ত্রীর প্রচণ্ড রাগ ছিল। তার ধারণা, শাসনের জন্য মারপিট করলে মুশফিকা মারা যায়। তখন জুলেখা গামছা দিয়ে মেয়ে মুশফিকার মুখ বাঁধে ও গলায় ওড়নার ফাঁস দেয়। এরপর সে ঘড়ের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

বৃহস্পতিবার বিকালে কাহালু থানার ওসি শাহিনুজ্জামান শাহিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে শিশুকন্যাকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। দুটি লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শুধু তাদের পরিবারে নয় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় চার বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বগুড়ার কাহালুতে চার বছরের শিশু মুশফিকাকে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে হত্যার পর মা জুলেখা খাতুন (২৪) ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ডেপুইল গ্রামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ডেপুইল গ্রামের অটোরিকশাচালক আবদুল মোমিন ২০১৯ সালে করোনার আগে জুলেখা খাতুনকে বিয়ে করেন। বৃহস্পতিবার সকালে মোমিন অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দুপুরের আগে বাড়িতে ফোন দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানের কোনো সাড়া পাননি। তিনি বাড়িতে এসে দেখেন ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা।

খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে কাহালু থানা পুলিশ ওই বাড়িতে আসে। তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন, শিশু মুশফিকার মরদেহ বিছানায় ও ঘরের আড়ার সঙ্গে জুলেখা খাতুনের লাশ ঝুলছে। পরে পুলিশ মা ও শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে বিছানায় পাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘আমি আমার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যা করলাম। আমাদের এ মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’

অটোচালক আবদুল মোমিন জানান, তাদের কোনো দাম্পত্য কলহ ছিল না। তবে তার স্ত্রীর প্রচণ্ড রাগ ছিল। তার ধারণা, শাসনের জন্য মারপিট করলে মুশফিকা মারা যায়। তখন জুলেখা গামছা দিয়ে মেয়ে মুশফিকার মুখ বাঁধে ও গলায় ওড়নার ফাঁস দেয়। এরপর সে ঘড়ের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

বৃহস্পতিবার বিকালে কাহালু থানার ওসি শাহিনুজ্জামান শাহিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে শিশুকন্যাকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। দুটি লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শুধু তাদের পরিবারে নয় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।