ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

‘জাতিসংঘে বাংলা ভাষায় ভাষণ, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০) উদযাপন উপলক্ষে আজ রাজধানীর ডাক ভবন মিলনায়তনে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করা হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগা সচিব মো. খলিলূর রহমান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফয়জুল আজিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু এবং বাংলা টাইপ রাইটার যন্ত্র প্রবর্তনে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরেন।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রদানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যাসাগর থেকে বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার যে ভিত্তি রচনা করেছেন তা অসাধারণ। বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি হিসেবেই নয় বিশ্বের ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ আমাদের জন্য বড় অহংকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পিতার পথ ধরে কন্যার যে যাত্রা তা স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষা সুরক্ষিত। আমরা স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশের মাধ্যমে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছি।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ১৯৫২ সালের অক্টোবরে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে বাংলায় বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা প্রদানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বলেন, পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শান্তি সম্মেলনে যোগদান করে বঙ্গবন্ধু বাংলায় বক্তৃতা করে বাংলা ও বাঙালিকে তুলে ধরেছেন বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে। তিনি বলেন এই স্মারক ডাকটিকিট নতুন প্রজন্মের কাছে একদিন বাংলা ও বাঙালির গৌরবের ইতিহাসের কথা বলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত

আপডেট সময় ০৯:৩০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

‘জাতিসংঘে বাংলা ভাষায় ভাষণ, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০) উদযাপন উপলক্ষে আজ রাজধানীর ডাক ভবন মিলনায়তনে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

এই উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করা হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগা সচিব মো. খলিলূর রহমান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফয়জুল আজিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু এবং বাংলা টাইপ রাইটার যন্ত্র প্রবর্তনে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরেন।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রদানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যাসাগর থেকে বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার যে ভিত্তি রচনা করেছেন তা অসাধারণ। বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি হিসেবেই নয় বিশ্বের ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ আমাদের জন্য বড় অহংকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পিতার পথ ধরে কন্যার যে যাত্রা তা স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষা সুরক্ষিত। আমরা স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশের মাধ্যমে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছি।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ১৯৫২ সালের অক্টোবরে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে বাংলায় বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা প্রদানের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বলেন, পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে শান্তি সম্মেলনে যোগদান করে বঙ্গবন্ধু বাংলায় বক্তৃতা করে বাংলা ও বাঙালিকে তুলে ধরেছেন বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে। তিনি বলেন এই স্মারক ডাকটিকিট নতুন প্রজন্মের কাছে একদিন বাংলা ও বাঙালির গৌরবের ইতিহাসের কথা বলবে।