ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাতিহাঁসের কালো ডিম!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:   

এ যুগে আশ্চর্য কত ঘটনাই ঘটে, পাতিহাঁস কালো ডিম পাড়ার ঘটনায় এলাকায় আলোড়ন। ঘটনাটি রূপকথার মতো অবাক হলেও ঘটনা সত্যি।

অলৌকিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলায় জিন্নাগড় ইউনিয়নের দাসকান্দি গ্রামে। পাতিহাঁস কালো ডিম পাড়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে দাসকান্দি এলাকায় আবদুল মান্নান রাঢ়ী বাড়ীর সৌদি প্রবাসী আব্দুল মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগম ঘরোয়াভাবে ১১টি পাতিহাঁস লালন পালন করে। এর মধ্যে ৯ মাস বয়সী একটি হাঁস। বাকি হাঁসগুলো ৬/৭ মাসের। বুধবার সকালে তার হাঁসের খোয়ারে বড় হাঁসটি কালো ডিম দেয়। ডিমের রং গাঢ় কালো দেখে তাসলিমা মনে করেন অন্যকোন প্রজাতির ডিম হতে পকরে। তিনি ভয় পেয়ে বাড়ির অন্যদের দেখালে এলাকায় আশপাশে দ্রুত জানাজানি হয়ে যায়। পাতিহাঁসের কালো ডিম দেখতে ওই বাড়িতে লোকজনের সমাগম ঘটতে থাকে। দেরিতে হলেও দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে খবর আসে হাঁসে কালো ডিম পাড়ার ঘটনা।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জানান, এক জাতের হাঁসের অন্য জাতের হাঁসের সঙ্গে ক্রস হলে বা কোনো ইনফেকশন হলে এমনটি হতে পারে। আবার হাঁস যদি খাদ্য গ্রহণের সঙ্গে কোনো রং খেয়ে ফেলে, তাহলেও এমনটি হতে পারে। তবে এটি যেহেতু প্রথম ঘটেছে, তাই আমরা এটি পর্যবেক্ষণ করব। ওই হাঁস যদি আরও এমন ডিম পাড়ে, তাহলে তা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

পাতিহাঁসের কালো ডিম!

আপডেট সময় ১১:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:   

এ যুগে আশ্চর্য কত ঘটনাই ঘটে, পাতিহাঁস কালো ডিম পাড়ার ঘটনায় এলাকায় আলোড়ন। ঘটনাটি রূপকথার মতো অবাক হলেও ঘটনা সত্যি।

অলৌকিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলায় জিন্নাগড় ইউনিয়নের দাসকান্দি গ্রামে। পাতিহাঁস কালো ডিম পাড়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে দাসকান্দি এলাকায় আবদুল মান্নান রাঢ়ী বাড়ীর সৌদি প্রবাসী আব্দুল মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগম ঘরোয়াভাবে ১১টি পাতিহাঁস লালন পালন করে। এর মধ্যে ৯ মাস বয়সী একটি হাঁস। বাকি হাঁসগুলো ৬/৭ মাসের। বুধবার সকালে তার হাঁসের খোয়ারে বড় হাঁসটি কালো ডিম দেয়। ডিমের রং গাঢ় কালো দেখে তাসলিমা মনে করেন অন্যকোন প্রজাতির ডিম হতে পকরে। তিনি ভয় পেয়ে বাড়ির অন্যদের দেখালে এলাকায় আশপাশে দ্রুত জানাজানি হয়ে যায়। পাতিহাঁসের কালো ডিম দেখতে ওই বাড়িতে লোকজনের সমাগম ঘটতে থাকে। দেরিতে হলেও দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে খবর আসে হাঁসে কালো ডিম পাড়ার ঘটনা।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জানান, এক জাতের হাঁসের অন্য জাতের হাঁসের সঙ্গে ক্রস হলে বা কোনো ইনফেকশন হলে এমনটি হতে পারে। আবার হাঁস যদি খাদ্য গ্রহণের সঙ্গে কোনো রং খেয়ে ফেলে, তাহলেও এমনটি হতে পারে। তবে এটি যেহেতু প্রথম ঘটেছে, তাই আমরা এটি পর্যবেক্ষণ করব। ওই হাঁস যদি আরও এমন ডিম পাড়ে, তাহলে তা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাব।