ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

‘শিগগিরই রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যে হারে বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে এটি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আগের মতো রির্জাভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ প্রতি দু‘ মাস অন্তর কমছে। এটি কি কমতেই থাকবে এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ভালো অবস্থানে আছি। রফতানি ও রেমিটেন্স বাড়ছে। আমি মনে করি যে হারে বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে এটি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আমরা আগের মতো রির্জাভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবো।

ডলারের মূল্য প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্ব যেভাবে মুদ্রার হার বাজারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করছে। আমরাও সেদিকে এগুবো। আগে নিজেরাই ডলারে মূল্য নির্ধারন করে দিতাম। সেভাবেই বেচাকেনা হতো। এখন আমরা নিজেরা চিন্তা ভাবনা করছি উন্নত বিশ্ব এবং আন্তর্জাতিক বাজারে যেভাবে মুদ্রা বাজার চলে আমরা সেভাবে পরিচালনা করবো।

ডলার বা অন্য মুদ্রা দিয়ে বিকল্প উপায়ে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এক দেশের মুদ্রা আরেক দেশে গ্রহণ করতে হলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিশেষ করে ডলার ব্যবহার করতে হয়। আমাদের যেটা করতে হবে কারেন্সি কিছু অফ করে রাশিয়াকে একসেপ্ট করাতে হবে। তারা সেটি গ্রহণ করলে আমরা সেটি কাজে লাগাতে পারবো।

বিশ্বের সব দেশই সুদ হার বাড়াচ্ছে, বাংলাদেশে যে অবস্থায় আছে সেটিই কি বহাল রাখতে চাচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের ঋণের সুদ হার ৯ এবং আমানতের ৬ শতাংশ কার্যকর করেছি। এটি ভালভাবে চলছে। সুদ হার বাড়িয়ে বা কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন কাজ। এখানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতি রয়েছে। এ দুটোকে সমন্বয় করে এ কাজটি করছে বাংলাদেশ।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিয়ষ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিদেশ থেকে সার ও চাল আমদানি এবং স্থানীয় বাজার থেকে টিসিবির জন্য মসুর ডাল ও ভোজ্যতেলসহ ১৪টি প্রস্তুাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

‘শিগগিরই রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে’

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যে হারে বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে এটি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আগের মতো রির্জাভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ প্রতি দু‘ মাস অন্তর কমছে। এটি কি কমতেই থাকবে এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ভালো অবস্থানে আছি। রফতানি ও রেমিটেন্স বাড়ছে। আমি মনে করি যে হারে বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে এটি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আমরা আগের মতো রির্জাভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবো।

ডলারের মূল্য প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্ব যেভাবে মুদ্রার হার বাজারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করছে। আমরাও সেদিকে এগুবো। আগে নিজেরাই ডলারে মূল্য নির্ধারন করে দিতাম। সেভাবেই বেচাকেনা হতো। এখন আমরা নিজেরা চিন্তা ভাবনা করছি উন্নত বিশ্ব এবং আন্তর্জাতিক বাজারে যেভাবে মুদ্রা বাজার চলে আমরা সেভাবে পরিচালনা করবো।

ডলার বা অন্য মুদ্রা দিয়ে বিকল্প উপায়ে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এক দেশের মুদ্রা আরেক দেশে গ্রহণ করতে হলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিশেষ করে ডলার ব্যবহার করতে হয়। আমাদের যেটা করতে হবে কারেন্সি কিছু অফ করে রাশিয়াকে একসেপ্ট করাতে হবে। তারা সেটি গ্রহণ করলে আমরা সেটি কাজে লাগাতে পারবো।

বিশ্বের সব দেশই সুদ হার বাড়াচ্ছে, বাংলাদেশে যে অবস্থায় আছে সেটিই কি বহাল রাখতে চাচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের ঋণের সুদ হার ৯ এবং আমানতের ৬ শতাংশ কার্যকর করেছি। এটি ভালভাবে চলছে। সুদ হার বাড়িয়ে বা কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন কাজ। এখানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতি রয়েছে। এ দুটোকে সমন্বয় করে এ কাজটি করছে বাংলাদেশ।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিয়ষ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিদেশ থেকে সার ও চাল আমদানি এবং স্থানীয় বাজার থেকে টিসিবির জন্য মসুর ডাল ও ভোজ্যতেলসহ ১৪টি প্রস্তুাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।