ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ না হলে এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হলে আগামীতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এত ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে, যা এখন কল্পনাও করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বেই দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডলার সংকট তো বাংলাদেশের একার না। বিশ্বব্যাপী এখন সংকট দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে আমেরিকা যে স্যাংসন দিল, দেওয়ার পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেল। সেখানে সংকট আরও বেশি দেখা দিয়েছে। ডলার সংকট আন্তর্জাতিক বিষয় থেকে এসেছে, আমাদের নিজস্ব দায় আছে তা তো না। শুধু বাংলাদেশ না, এই সংকট এখন যেটা দেখছেন হয়তো সামনের বছর আরও বেশি দেখা দেবে, এটা সারা বিশ্বব্যাপী। আমার তো একটা শংঙ্কা হচ্ছে যে, সারা বিশ্বেই দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে, সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক চরম দুরাবস্থা দেখা দিতে পারে। আমি আগে থেকেই বলে রাখছি, আমাদের মাটি আছে, মানুষ আছে, ফসল ফলান নিজের ব্যবস্থা নিজেরা করে রাখি, যাতে কারো মুখাপেক্ষী না হতে হয়। বাংলাদেশে তবু তো আমরা চালাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ আমেরিকা বা ইংল্যান্ডের যে অবস্থাটা, সেটা একবার বিবেচনা করে দেখুন সেখানে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের সাশ্রয় এবং সঞ্চয় আগে থেকেই রাখতে হবে নইলে বিশ্বব্যাপী একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যদি এই যুদ্ধ বন্ধ না হয়, এই স্যাংশন প্রত্যাহার না হয় তাহলে কিন্তু আরও খারাপ অবস্থা হবে। তারপর প্রকৃতির যে খেলা, কীভাবে সমস্ত বনে আগুন লাগলো। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আমেরিকায় সমস্ত জায়গায় একটা অদ্ভুত ব্যাপার। লন্ডনের মতো জায়গায় কথায় কথায় ঘাসে আগুন লেগে যাচ্ছে, তার পরে অনেক দেশে তো ক্ষেতের ফসল খেতে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। ইউরোপের বহু দেশে হয়েছে। এজন্য আমাদের আগে থেকে ব্যবস্থা থাকতে হবে। আমি তো সব সময় বলি, অন্ততপক্ষে আমাদের নিজের যে মাটি আছে, যার যেটুকু আছে, যে যেভাবে পারেন অন্তত নিজের খাবারের জোগাড় নিজেরা করে রাখেন। আর নিজেদের সঞ্চয়টা করে রাখেন। না হলে এত খারাপ অবস্থা সারা বিশ্বে হতে পারে, এখন যা কল্পনাও করা যাচ্ছে না।

অর্থ পাচার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন অনেকেরই অর্থ পাচারের তথ্য আমার কাছে আছে, ওটা আপনারা লিখবেন কিনা সন্দেহ আছে। আমি সোজা কথা বলি, অনেকের ব্যাপারে অনেক স্বনামধন্যদের ব্যাপারেও আছে, তবে এটা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। একদিন সামনে আসবে, আপনারা লিখবেন কিনা আমি সেটা দেখব। মানি লন্ডারিং বন্ধ করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ না হলে এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হলে আগামীতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এত ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে, যা এখন কল্পনাও করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বেই দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ডলার সংকট তো বাংলাদেশের একার না। বিশ্বব্যাপী এখন সংকট দেখা দিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে আমেরিকা যে স্যাংসন দিল, দেওয়ার পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেল। সেখানে সংকট আরও বেশি দেখা দিয়েছে। ডলার সংকট আন্তর্জাতিক বিষয় থেকে এসেছে, আমাদের নিজস্ব দায় আছে তা তো না। শুধু বাংলাদেশ না, এই সংকট এখন যেটা দেখছেন হয়তো সামনের বছর আরও বেশি দেখা দেবে, এটা সারা বিশ্বব্যাপী। আমার তো একটা শংঙ্কা হচ্ছে যে, সারা বিশ্বেই দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে, সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক চরম দুরাবস্থা দেখা দিতে পারে। আমি আগে থেকেই বলে রাখছি, আমাদের মাটি আছে, মানুষ আছে, ফসল ফলান নিজের ব্যবস্থা নিজেরা করে রাখি, যাতে কারো মুখাপেক্ষী না হতে হয়। বাংলাদেশে তবু তো আমরা চালাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ আমেরিকা বা ইংল্যান্ডের যে অবস্থাটা, সেটা একবার বিবেচনা করে দেখুন সেখানে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের সাশ্রয় এবং সঞ্চয় আগে থেকেই রাখতে হবে নইলে বিশ্বব্যাপী একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যদি এই যুদ্ধ বন্ধ না হয়, এই স্যাংশন প্রত্যাহার না হয় তাহলে কিন্তু আরও খারাপ অবস্থা হবে। তারপর প্রকৃতির যে খেলা, কীভাবে সমস্ত বনে আগুন লাগলো। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আমেরিকায় সমস্ত জায়গায় একটা অদ্ভুত ব্যাপার। লন্ডনের মতো জায়গায় কথায় কথায় ঘাসে আগুন লেগে যাচ্ছে, তার পরে অনেক দেশে তো ক্ষেতের ফসল খেতে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। ইউরোপের বহু দেশে হয়েছে। এজন্য আমাদের আগে থেকে ব্যবস্থা থাকতে হবে। আমি তো সব সময় বলি, অন্ততপক্ষে আমাদের নিজের যে মাটি আছে, যার যেটুকু আছে, যে যেভাবে পারেন অন্তত নিজের খাবারের জোগাড় নিজেরা করে রাখেন। আর নিজেদের সঞ্চয়টা করে রাখেন। না হলে এত খারাপ অবস্থা সারা বিশ্বে হতে পারে, এখন যা কল্পনাও করা যাচ্ছে না।

অর্থ পাচার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন অনেকেরই অর্থ পাচারের তথ্য আমার কাছে আছে, ওটা আপনারা লিখবেন কিনা সন্দেহ আছে। আমি সোজা কথা বলি, অনেকের ব্যাপারে অনেক স্বনামধন্যদের ব্যাপারেও আছে, তবে এটা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। একদিন সামনে আসবে, আপনারা লিখবেন কিনা আমি সেটা দেখব। মানি লন্ডারিং বন্ধ করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।