ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। মঙ্গলবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে রাজধানীর এফডিসিতে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের পাশাপাশি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ত্রিপাক্ষিক উদ্যোগ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ভূমিকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টকে ভিত্তি করে সমাধান বের করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে (রোহিঙ্গা) গুনে গুনে ফেরত নিতে হবে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব ফেরত দিতে হবে। ভারতের মত মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র। মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরিন সমস্যা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশকে আক্রমন করেনি, আমরাও মিয়ানমার আক্রমন করিনি। কিন্তু তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি বর্বরোচিত নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে এবং অত্যাচার করেছে। যার ফলে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন ধৈর্য ধরে মুন্সিয়ানার সাথে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা মানবিকভাবে বিবেচনা করা জরুরী। এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার (রোহিঙ্গা সমস্যা) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাত্রা আছে। এর সমাধান কি সামরিক পথে হবে, নাকি রাজনৈতিক নাকি কুটনৈতিক পথে সমাধান হবে? এই সমস্যা তুলে ধরতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম।

এই সংকটে বাংলাদেশ কোন আন্তর্জাতিক সাহায্য না চেয়ে একাই মোকাবেলার চেষ্টা করেছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নানা রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে ১৬ কোটি মানুষ খেতে পারলে, তারাও খেতে পারবে।

তিনি বলেন, ভারত, চীন, রাশিয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পক্ষে নয়, তবু তারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এ সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করার কথা বলেছে। অং সান সুচি তার ভাষনে স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে, এটিও আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতারই বিজয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব: ইনু

আপডেট সময় ০৬:০২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। মঙ্গলবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে রাজধানীর এফডিসিতে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের পাশাপাশি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ত্রিপাক্ষিক উদ্যোগ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ভূমিকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টকে ভিত্তি করে সমাধান বের করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে (রোহিঙ্গা) গুনে গুনে ফেরত নিতে হবে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব ফেরত দিতে হবে। ভারতের মত মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র। মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরিন সমস্যা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশকে আক্রমন করেনি, আমরাও মিয়ানমার আক্রমন করিনি। কিন্তু তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি বর্বরোচিত নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে এবং অত্যাচার করেছে। যার ফলে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন ধৈর্য ধরে মুন্সিয়ানার সাথে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা মানবিকভাবে বিবেচনা করা জরুরী। এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার (রোহিঙ্গা সমস্যা) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাত্রা আছে। এর সমাধান কি সামরিক পথে হবে, নাকি রাজনৈতিক নাকি কুটনৈতিক পথে সমাধান হবে? এই সমস্যা তুলে ধরতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম।

এই সংকটে বাংলাদেশ কোন আন্তর্জাতিক সাহায্য না চেয়ে একাই মোকাবেলার চেষ্টা করেছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নানা রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে ১৬ কোটি মানুষ খেতে পারলে, তারাও খেতে পারবে।

তিনি বলেন, ভারত, চীন, রাশিয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পক্ষে নয়, তবু তারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এ সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করার কথা বলেছে। অং সান সুচি তার ভাষনে স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে, এটিও আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতারই বিজয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।