ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। মঙ্গলবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে রাজধানীর এফডিসিতে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের পাশাপাশি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ত্রিপাক্ষিক উদ্যোগ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ভূমিকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টকে ভিত্তি করে সমাধান বের করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে (রোহিঙ্গা) গুনে গুনে ফেরত নিতে হবে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব ফেরত দিতে হবে। ভারতের মত মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র। মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরিন সমস্যা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশকে আক্রমন করেনি, আমরাও মিয়ানমার আক্রমন করিনি। কিন্তু তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি বর্বরোচিত নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে এবং অত্যাচার করেছে। যার ফলে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন ধৈর্য ধরে মুন্সিয়ানার সাথে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা মানবিকভাবে বিবেচনা করা জরুরী। এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার (রোহিঙ্গা সমস্যা) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাত্রা আছে। এর সমাধান কি সামরিক পথে হবে, নাকি রাজনৈতিক নাকি কুটনৈতিক পথে সমাধান হবে? এই সমস্যা তুলে ধরতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম।

এই সংকটে বাংলাদেশ কোন আন্তর্জাতিক সাহায্য না চেয়ে একাই মোকাবেলার চেষ্টা করেছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নানা রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে ১৬ কোটি মানুষ খেতে পারলে, তারাও খেতে পারবে।

তিনি বলেন, ভারত, চীন, রাশিয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পক্ষে নয়, তবু তারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এ সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করার কথা বলেছে। অং সান সুচি তার ভাষনে স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে, এটিও আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতারই বিজয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব: ইনু

আপডেট সময় ০৬:০২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। মঙ্গলবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে রাজধানীর এফডিসিতে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।

দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের পাশাপাশি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ত্রিপাক্ষিক উদ্যোগ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ভূমিকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টকে ভিত্তি করে সমাধান বের করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে (রোহিঙ্গা) গুনে গুনে ফেরত নিতে হবে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব ফেরত দিতে হবে। ভারতের মত মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র। মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরিন সমস্যা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশকে আক্রমন করেনি, আমরাও মিয়ানমার আক্রমন করিনি। কিন্তু তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি বর্বরোচিত নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে এবং অত্যাচার করেছে। যার ফলে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন ধৈর্য ধরে মুন্সিয়ানার সাথে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা মানবিকভাবে বিবেচনা করা জরুরী। এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এই ঘটনার (রোহিঙ্গা সমস্যা) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাত্রা আছে। এর সমাধান কি সামরিক পথে হবে, নাকি রাজনৈতিক নাকি কুটনৈতিক পথে সমাধান হবে? এই সমস্যা তুলে ধরতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম।

এই সংকটে বাংলাদেশ কোন আন্তর্জাতিক সাহায্য না চেয়ে একাই মোকাবেলার চেষ্টা করেছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নানা রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে ১৬ কোটি মানুষ খেতে পারলে, তারাও খেতে পারবে।

তিনি বলেন, ভারত, চীন, রাশিয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পক্ষে নয়, তবু তারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এ সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করার কথা বলেছে। অং সান সুচি তার ভাষনে স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে, এটিও আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতারই বিজয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।