ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

সাংবাদিকদের ওপর অত্যাচার সহ্য করা হবে না: আইনমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সাংবাদিকদের ওপরে কোনো অত্যাচার সরকার সহ্য করবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, নির্যাতনের বিষয়ে সাংবাদিকরা কোনো অভিযোগ করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকায় কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি করে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হবে। সেখানে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যাচাই করে দেখবেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি, আমাদের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর ঠিকানা ছিল বৃটিশ বা পাকিস্তান আমলের পুরাতন, জীর্ণ কিংবা পরিত্যক্ত কোনো সরকারি ভবন। অনেক রেজিস্ট্রি অফিসের ভাগে জীর্ণ কিংবা পরিত্যক্ত ভবন বরাদ্দ পাওয়াটাও ছিল দুষ্কর। আর দলিল লেখক ভাইদের ঠিকানা ছিল মাথার ওপরে টিনের শেড এবং নিচে মাটি এমন ঘরে। খুব ভালো হলে আধাপাকা মেঝের ঘর মিলত। তাদের ঘরে বেড়া ছিলো না বললেই চলে। এই অবস্থাতেই তারা মেঝেতে পাটি বিছিয়ে সেখানে বসেই অনেক কষ্টে আমাদের দলিল লিখে দিয়েছেন।

আনিসুল হক বলেন, শুধু অবকাঠামো সমস্যা নয়, রেজিস্ট্রি অফিসগুলো নানা ধরনের সমস্যায় জর্জড়িত ছিল। দলিল নকল করার জন্য বালাম বহিঃ ছিল প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য। ফলে মূল দলিল ফেরত পাওয়ার জন্য আমাদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হত। নকলনবিশদের পারিশ্রমিক পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরনা দিতে হত। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। সময়মত নিয়োগ না দেওয়ায় অনেক পদ শূন্য থাকত। সবমিলিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা।

তবে এই অবহেলিত অবস্থাকে পেছনে ফেলে গত সাড়ে সাত বছরে নিবন্ধন অধিদপ্তর অনেক দূর এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, এসময়ের মধ্যে নিবন্ধন অধিদপ্তরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও দূর হয়েছে হতাশা। ঢাকার কালামপুরে নবনির্মিত সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন এর অন্যতম উদাহরণ।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহিদুল আলম ঝিনুকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ্ উদ্দীন আহাম্মদ, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ভাস্কর দেবনাথ, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মালেক প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

সাংবাদিকদের ওপর অত্যাচার সহ্য করা হবে না: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সাংবাদিকদের ওপরে কোনো অত্যাচার সরকার সহ্য করবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, নির্যাতনের বিষয়ে সাংবাদিকরা কোনো অভিযোগ করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকায় কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি করে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হবে। সেখানে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যাচাই করে দেখবেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি, আমাদের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর ঠিকানা ছিল বৃটিশ বা পাকিস্তান আমলের পুরাতন, জীর্ণ কিংবা পরিত্যক্ত কোনো সরকারি ভবন। অনেক রেজিস্ট্রি অফিসের ভাগে জীর্ণ কিংবা পরিত্যক্ত ভবন বরাদ্দ পাওয়াটাও ছিল দুষ্কর। আর দলিল লেখক ভাইদের ঠিকানা ছিল মাথার ওপরে টিনের শেড এবং নিচে মাটি এমন ঘরে। খুব ভালো হলে আধাপাকা মেঝের ঘর মিলত। তাদের ঘরে বেড়া ছিলো না বললেই চলে। এই অবস্থাতেই তারা মেঝেতে পাটি বিছিয়ে সেখানে বসেই অনেক কষ্টে আমাদের দলিল লিখে দিয়েছেন।

আনিসুল হক বলেন, শুধু অবকাঠামো সমস্যা নয়, রেজিস্ট্রি অফিসগুলো নানা ধরনের সমস্যায় জর্জড়িত ছিল। দলিল নকল করার জন্য বালাম বহিঃ ছিল প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য। ফলে মূল দলিল ফেরত পাওয়ার জন্য আমাদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হত। নকলনবিশদের পারিশ্রমিক পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরনা দিতে হত। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। সময়মত নিয়োগ না দেওয়ায় অনেক পদ শূন্য থাকত। সবমিলিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা।

তবে এই অবহেলিত অবস্থাকে পেছনে ফেলে গত সাড়ে সাত বছরে নিবন্ধন অধিদপ্তর অনেক দূর এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, এসময়ের মধ্যে নিবন্ধন অধিদপ্তরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও দূর হয়েছে হতাশা। ঢাকার কালামপুরে নবনির্মিত সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন এর অন্যতম উদাহরণ।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহিদুল আলম ঝিনুকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ্ উদ্দীন আহাম্মদ, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ভাস্কর দেবনাথ, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মালেক প্রমুখ।