ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সু চির মন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী কিউ টিন্ট সোয়ে সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসেছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে তিনি বৈঠক করছেন। আজ সোমবার রাতেই কিউ টিন্ট সোয়ে মিয়ানমারে ফিরে যাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গত শনিবার সন্ধ্যায় জানান, টিন্ট সোয়ের বৈঠকে খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের প্রসঙ্গ। বিশেষ করে, তাদের নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে রাখাইনে ফেরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। সমস্যার উৎস যেহেতু মিয়ানমারে, সমাধানটাও মিয়ানমারকেই করতে হবে—এই বার্তা দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সংকট চলাকালে রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশে আসছেন মিয়ানমারের কোনো মন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের অন্য একজন কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থং তুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে আলোচনা করেন। ওই আলোচনায়ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছে। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে মিয়ানমারকে একটি রূপরেখাও দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় এলে মিয়ানমার যেন এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে আসে, সেটাও নিউইয়র্কের আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছিল। তাই আজকের আলোচনায় এটাই থাকবে মূল প্রসঙ্গ।

বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা মনে করেন, নিরাপত্তা পরিষদের শুক্রবারের উন্মুক্ত আলোচনার পর রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বেড়েছে। রাখাইনে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ, সেখানে জরুরি ত্রাণকর্মীদের অবারিতভাবে যেতে দেওয়া এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের প্রায় সবাই জোর দিয়েই বলেছেন। এর ফলে সু চির দপ্তরের মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ।

২৫ আগস্ট রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর তল্লাশিচৌকিতে হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সু চির মন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী কিউ টিন্ট সোয়ে সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসেছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে তিনি বৈঠক করছেন। আজ সোমবার রাতেই কিউ টিন্ট সোয়ে মিয়ানমারে ফিরে যাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গত শনিবার সন্ধ্যায় জানান, টিন্ট সোয়ের বৈঠকে খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের প্রসঙ্গ। বিশেষ করে, তাদের নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে রাখাইনে ফেরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। সমস্যার উৎস যেহেতু মিয়ানমারে, সমাধানটাও মিয়ানমারকেই করতে হবে—এই বার্তা দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সংকট চলাকালে রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশে আসছেন মিয়ানমারের কোনো মন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের অন্য একজন কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থং তুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে আলোচনা করেন। ওই আলোচনায়ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছে। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে মিয়ানমারকে একটি রূপরেখাও দিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় এলে মিয়ানমার যেন এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে আসে, সেটাও নিউইয়র্কের আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছিল। তাই আজকের আলোচনায় এটাই থাকবে মূল প্রসঙ্গ।

বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা মনে করেন, নিরাপত্তা পরিষদের শুক্রবারের উন্মুক্ত আলোচনার পর রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বেড়েছে। রাখাইনে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ, সেখানে জরুরি ত্রাণকর্মীদের অবারিতভাবে যেতে দেওয়া এবং কফি আনান কমিশনের সুপারিশ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের প্রায় সবাই জোর দিয়েই বলেছেন। এর ফলে সু চির দপ্তরের মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ।

২৫ আগস্ট রাখাইনে মিয়ানমার নিরাপত্তাবাহিনীর তল্লাশিচৌকিতে হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।