ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

স্কুল শিক্ষক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় স্কুল শিক্ষক আলাউদ্দিন হত্যা মামলায় ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাজিমুদ্দৌলা এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- শৈলকূপা উপজেলার শিতলি গ্রামে রান্নু খান, জামাল খান ও কানু খান। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো একই গ্রামের শামসুর রহমান খান।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর শৈলকূপা উপজেলার শিতলি গ্রামে সুপারি গাছের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে একই গ্রামের খান মো. আলাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দণ্ডিতরা। একই দিন দুপুর ১২টার দিকে আলাউদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন নিহতের স্ত্রী শিউলি খাতুন বাদী হয়ে শৈলকূপা থানায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত রান্নু খান, জামাল খান ও কানু খানকে মৃত্যুদণ্ড ও শামছুর রহমান খানকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৪০ হাজার টাকা করে ও আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। এ মামলায় অপর তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

স্কুল শিক্ষক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৭:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় স্কুল শিক্ষক আলাউদ্দিন হত্যা মামলায় ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাজিমুদ্দৌলা এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- শৈলকূপা উপজেলার শিতলি গ্রামে রান্নু খান, জামাল খান ও কানু খান। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো একই গ্রামের শামসুর রহমান খান।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর শৈলকূপা উপজেলার শিতলি গ্রামে সুপারি গাছের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে একই গ্রামের খান মো. আলাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দণ্ডিতরা। একই দিন দুপুর ১২টার দিকে আলাউদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরদিন নিহতের স্ত্রী শিউলি খাতুন বাদী হয়ে শৈলকূপা থানায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত রান্নু খান, জামাল খান ও কানু খানকে মৃত্যুদণ্ড ও শামছুর রহমান খানকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৪০ হাজার টাকা করে ও আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। এ মামলায় অপর তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।