ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল ‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ, দুই ভাইসহ নিহত ৩ দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান

সন্ধান মিলল ‘মৃত্যু হ্রদের’, নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হ্রদের পানিতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু, এমন ভয়ংকর বিষাক্ত এক হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। লাইভ সায়েন্স ও নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

লোহিত সাগরের প্রায় ছ’হাজার ফুট গভীরে সম্প্রতি ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

লবণাক্ত পানির ওই পুলে নামামাত্রই যেকোনো প্রাণীর মৃত্যু হতে পারে বলে লাইভ সায়েন্সে দাবি করেন স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী।

সাধারণত সমুদ্রের নীচে এই ধরনের গভীর এবং অগভীর হ্রদ সৃষ্টি হয়। এগুলোকে ‘ব্রাইন পুল’ বলা হয়। গভীর সমুদ্রের নীচে এই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

কেন এতটা প্রাণঘাতী সেই হ্রদ? এ ব্যাপারে স্যাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ঘাতক এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যাধিক। এই এলাকার পানি সমুদ্রের সাধারণ পানির চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই-ই নয়, ওই পানিতে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভাণ্ডার। ফলে সমুদ্রের পানির চেয়ে এই হ্রদের পানি একেবারেই আলাদা। তা ছাড়া এই হ্রদে অক্সিজেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর সে কারণেই মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে সামুদ্রিক জীব বা কোনো প্রাণী।

অবশ্য এই হ্রদে বিপুল পরিমাণ জীবাণু রয়েছে। তবে পৃথিবীতে কী ভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার অনেকটাই সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন স্যাম।

তিনি আরও জানান, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল। কারণ এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনো গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী বেঁচে আছে কি না।

এদিকে, নিউইয়র্ক পোস্টের মতে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এটিই প্রথম ব্রাইন পুল নয়। গত ৩০ বছরে, সমুদ্রবিজ্ঞানীরা লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে ‘কয়েক ডজন’ এ ধরনের ভয়াবহ হ্রদ আবিষ্কার করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

সন্ধান মিলল ‘মৃত্যু হ্রদের’, নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু!

আপডেট সময় ১১:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

হ্রদের পানিতে নামলেই নিশ্চিত মৃত্যু, এমন ভয়ংকর বিষাক্ত এক হ্রদের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। লাইভ সায়েন্স ও নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

লোহিত সাগরের প্রায় ছ’হাজার ফুট গভীরে সম্প্রতি ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

লবণাক্ত পানির ওই পুলে নামামাত্রই যেকোনো প্রাণীর মৃত্যু হতে পারে বলে লাইভ সায়েন্সে দাবি করেন স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী।

সাধারণত সমুদ্রের নীচে এই ধরনের গভীর এবং অগভীর হ্রদ সৃষ্টি হয়। এগুলোকে ‘ব্রাইন পুল’ বলা হয়। গভীর সমুদ্রের নীচে এই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

কেন এতটা প্রাণঘাতী সেই হ্রদ? এ ব্যাপারে স্যাম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ঘাতক এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যাধিক। এই এলাকার পানি সমুদ্রের সাধারণ পানির চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই-ই নয়, ওই পানিতে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভাণ্ডার। ফলে সমুদ্রের পানির চেয়ে এই হ্রদের পানি একেবারেই আলাদা। তা ছাড়া এই হ্রদে অক্সিজেনের কোনো অস্তিত্ব নেই। আর সে কারণেই মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে সামুদ্রিক জীব বা কোনো প্রাণী।

অবশ্য এই হ্রদে বিপুল পরিমাণ জীবাণু রয়েছে। তবে পৃথিবীতে কী ভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে এই আবিষ্কার অনেকটাই সাহায্য করবে বলে দাবি করেছেন স্যাম।

তিনি আরও জানান, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল। কারণ এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনো গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী বেঁচে আছে কি না।

এদিকে, নিউইয়র্ক পোস্টের মতে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এটিই প্রথম ব্রাইন পুল নয়। গত ৩০ বছরে, সমুদ্রবিজ্ঞানীরা লোহিত সাগর, ভূমধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে ‘কয়েক ডজন’ এ ধরনের ভয়াবহ হ্রদ আবিষ্কার করেছেন।