ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তরিত মির্জা আব্বাস আমার এলাকার হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো: রুমিন ফারহানা আওয়ামী লীগের আমলের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : আইনমন্ত্রী মার্কিন অবরোধের মধ্যেই হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ ‘আওয়ামী লীগ আমলে বিসিএসে নিয়োগে দলীয়করণের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ ইউক্রেনকে আর বিনামূল্যে অস্ত্র দেবে না যুক্তরাষ্ট্র : জেডি ভ্যান্স হরমুজ নিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান ২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, দেলোয়ারসহ সব আসামির কারাদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার মূলহোতা দেলোয়ারসহ ১৩ আসামির ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। টাকা না দিলে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে দণ্ডিতদের।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মামুনুর রশীদ লাভলু এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রায় ঘোষণার আগে পৌনে ১০টার দিকে মামলার নয় আসামিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের তোলা হয় এজলাসে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আদালতে উপস্থিত ছিলেন নুর হোসেন বাদল, আবদুর রহিম, আবুল কালাম, ইসরাফিল হোসেন মিয়া, মাঈন উদ্দিন সাজু, সামছুদ্দিন সুমন কন্ট্রাকটর, নুর হোসেন রাসেল, আনোয়ার হোসেন সোহাগ ও দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন আবদুর রব চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, জামাল উদ্দিন ও মিজানুর রহমান তারেক। এই চারজন পলাতক।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন মামুনুর রশীদ লাবলু, বাদী পক্ষে ছিলেন মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন ও আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জসিম উদ্দিন বাদল।

২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে ওই নারীর স্বামীকে অন্য কক্ষে বেঁধে রেখে আসামিরা তাকে নির্যাতন করেন। তারা নির্যাতন করার ভিডিওচিত্রও ধারণ করেন। এরপর ১ মাস ধরে গৃহবধূকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন অনৈতিক প্রস্তাবের রাজি না হলে ভিডিওচিত্রটি তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবেন। ৩২ দিন পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৪ অক্টোবর নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়।

পরে এই ঘটনায় মামলা হয়। সেই মামলায় মোট ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই। এক বছর ধরে বাদীসহ ৪০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তরিত মির্জা আব্বাস

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, দেলোয়ারসহ সব আসামির কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার মূলহোতা দেলোয়ারসহ ১৩ আসামির ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। টাকা না দিলে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে দণ্ডিতদের।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মামুনুর রশীদ লাভলু এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রায় ঘোষণার আগে পৌনে ১০টার দিকে মামলার নয় আসামিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের তোলা হয় এজলাসে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আদালতে উপস্থিত ছিলেন নুর হোসেন বাদল, আবদুর রহিম, আবুল কালাম, ইসরাফিল হোসেন মিয়া, মাঈন উদ্দিন সাজু, সামছুদ্দিন সুমন কন্ট্রাকটর, নুর হোসেন রাসেল, আনোয়ার হোসেন সোহাগ ও দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন আবদুর রব চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, জামাল উদ্দিন ও মিজানুর রহমান তারেক। এই চারজন পলাতক।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন মামুনুর রশীদ লাবলু, বাদী পক্ষে ছিলেন মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন ও আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জসিম উদ্দিন বাদল।

২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে ওই নারীর স্বামীকে অন্য কক্ষে বেঁধে রেখে আসামিরা তাকে নির্যাতন করেন। তারা নির্যাতন করার ভিডিওচিত্রও ধারণ করেন। এরপর ১ মাস ধরে গৃহবধূকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন অনৈতিক প্রস্তাবের রাজি না হলে ভিডিওচিত্রটি তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবেন। ৩২ দিন পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৪ অক্টোবর নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়।

পরে এই ঘটনায় মামলা হয়। সেই মামলায় মোট ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই। এক বছর ধরে বাদীসহ ৪০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।