ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১৩ নতুন দায়িত্ব পেলেন ফজলুর রহমান জুলাই সনদের আলোকে সংস্কারগুলো এগিয়ে নেব: আইনমন্ত্রী গণভোটের রায় অস্বীকার করা মানে জনগণকে অপমান করা: জামায়াত আমির কেশম দ্বীপে হামলার ‘মূল্য দিতে হবে’ যুক্তরাষ্ট্রকে:গালিবাফের হুঁশিয়ারি ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা: সংসদীয় কমিটিকে মোদি সরকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-সারজিসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনে আইফোন চুরির অভিযোগ শিল্প বাঁচাতে চাই সুষ্ঠু জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নতুন দায়িত্বে ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও কারফিউ জারি, প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের শান্তির বার্তা

শেখ হাসিনার কাছে বিএনপির শেখার আছে অনেক কিছু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিএনপি ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চরম অমানবিকতা দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মস্তব্য করেন তিনি।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়৷

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়াসহ যারা এমন অমানবিকতা প্রদর্শন করেছেন, তাদের প্রতি কিন্তু মানবিক আচরণ দেখিয়েছেন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এখানে থেকে বিএনপি শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ১৯৮১ সালে আমাদের নেত্রী যখন দেশে ফেরত এসেছিলেন, তখন তিনি ৩২ নাম্বার বাড়িতে একটি মিলাদ পড়াতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ৩২ নম্বর বাড়িতে আমাদের নেত্রীকে ঢুকতে দেয়নি। তাকে রাস্তায় বসে মিলাদ পড়াতে হয়েছিল। তখন মানবাধিকারের কথা মনে ছিল না?

২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হলো, পার্লামেন্টে যখন একটি শোক প্রস্তাব পালন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো, বিএনপি নেতারা তখন হাস্যরস করে বলেছিলেন- শেখ হাসিনা নিজে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন আর খালেদা জিয়া মুচকি মুচকি হাসছিলেন। তখন মানবাধিকার মনে ছিল না যখন বেগম খালেদা জিয়া নিজের জন্মদিনের তারিখটা বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন। জন্মদিন যখন আপনারা পালন করেন তখন, মানবাধিকার মনে থাকে না!

মন্ত্রী বলেন, আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সভা সেমিনার করবো, কিন্তু নিজের ঘরের মানবাধিকার রক্ষা করবো না। এটা তো হতে পারে না। তাই মানবাধিকার রক্ষা নিজের ঘর থেকে আগে শুরু করতে হবে।

আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন উপদেষ্টা পরিষদ চেয়ারম্যান র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ঢাকাস্থ ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টসিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার কাছে বিএনপির শেখার আছে অনেক কিছু

আপডেট সময় ০৯:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিএনপি ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চরম অমানবিকতা দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মস্তব্য করেন তিনি।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়৷

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়াসহ যারা এমন অমানবিকতা প্রদর্শন করেছেন, তাদের প্রতি কিন্তু মানবিক আচরণ দেখিয়েছেন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এখানে থেকে বিএনপি শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ১৯৮১ সালে আমাদের নেত্রী যখন দেশে ফেরত এসেছিলেন, তখন তিনি ৩২ নাম্বার বাড়িতে একটি মিলাদ পড়াতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ৩২ নম্বর বাড়িতে আমাদের নেত্রীকে ঢুকতে দেয়নি। তাকে রাস্তায় বসে মিলাদ পড়াতে হয়েছিল। তখন মানবাধিকারের কথা মনে ছিল না?

২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হলো, পার্লামেন্টে যখন একটি শোক প্রস্তাব পালন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো, বিএনপি নেতারা তখন হাস্যরস করে বলেছিলেন- শেখ হাসিনা নিজে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন আর খালেদা জিয়া মুচকি মুচকি হাসছিলেন। তখন মানবাধিকার মনে ছিল না যখন বেগম খালেদা জিয়া নিজের জন্মদিনের তারিখটা বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন। জন্মদিন যখন আপনারা পালন করেন তখন, মানবাধিকার মনে থাকে না!

মন্ত্রী বলেন, আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সভা সেমিনার করবো, কিন্তু নিজের ঘরের মানবাধিকার রক্ষা করবো না। এটা তো হতে পারে না। তাই মানবাধিকার রক্ষা নিজের ঘর থেকে আগে শুরু করতে হবে।

আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন উপদেষ্টা পরিষদ চেয়ারম্যান র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ঢাকাস্থ ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টসিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ।