ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘এস-৪০০ সংকটের একমাত্র সমাধান এরদোগানকে সরানো’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছে, সেটি সমাধানের পথ দেখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে সেটি থেকে বেরিয়ে আসার পথ হচ্ছে এরদোগানকে সরিয়ে দেওয়া। আগামী নির্বাচনে এরদোগানকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দিতে পারলেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন বোল্টন। খবর ডেইলি সাবাহর।

দ্য হিলে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ কথা বলেন মার্কিন এই নিরাপত্তাবিদ।ওই নিবন্ধে তিনি আরও বলেন, রাশিয়া থেকে এস-৪০০ কেনায় ভারতের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

পাকিস্তান ও চীন থেকে নিজেদের সুরক্ষায় ভারত রাশিয়া থেকে মহাকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনতে ২০১৮ সালে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি সই করে।

ভারতের রুশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হস্তান্তর দেশটির (ভারত) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। কারণ ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইন পাস হয়, রাশিয়ার সঙ্গে যে দেশ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা বিনিময় করবে, তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

তুরস্ক রাশিয়া থেকে এস-৪০০ কেনায় গত বছর দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একই কারণে এখনও পর্যন্ত ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা হচ্ছে।

বোল্টন মনে করেন, ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করায় তুরস্কসহ রাশিয়ার অস্ত্র ক্রেতারা নিজ দেশেরও ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি তোলতে পারছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথও দেখিয়েছেন সাবেক মার্কিন এই কর্মকর্তা। ‘তুরস্কও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে শর্ত হচ্ছে আগামী নির্বাচনে এরদোগানকে পরাজিত করতে হবে। ‘

বোল্টন বরাবরই তুরস্কবিরোধী অবস্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা ‘তুরস্কে গণতান্ত্রিক প্রকল্প’ ধারণা নিয়ে এসেছেন, তাদের মধ্যে বোল্টন অন্যতম। এই প্রকল্পে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ভাই জেব বুশ এবং ইতালির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিওলিও তারজি আগাতাও রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘এস-৪০০ সংকটের একমাত্র সমাধান এরদোগানকে সরানো’

আপডেট সময় ০৬:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এস-৪০০ নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছে, সেটি সমাধানের পথ দেখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে সেটি থেকে বেরিয়ে আসার পথ হচ্ছে এরদোগানকে সরিয়ে দেওয়া। আগামী নির্বাচনে এরদোগানকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দিতে পারলেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন বোল্টন। খবর ডেইলি সাবাহর।

দ্য হিলে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ কথা বলেন মার্কিন এই নিরাপত্তাবিদ।ওই নিবন্ধে তিনি আরও বলেন, রাশিয়া থেকে এস-৪০০ কেনায় ভারতের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

পাকিস্তান ও চীন থেকে নিজেদের সুরক্ষায় ভারত রাশিয়া থেকে মহাকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনতে ২০১৮ সালে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি সই করে।

ভারতের রুশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হস্তান্তর দেশটির (ভারত) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। কারণ ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইন পাস হয়, রাশিয়ার সঙ্গে যে দেশ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা বিনিময় করবে, তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

তুরস্ক রাশিয়া থেকে এস-৪০০ কেনায় গত বছর দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একই কারণে এখনও পর্যন্ত ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা হচ্ছে।

বোল্টন মনে করেন, ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করায় তুরস্কসহ রাশিয়ার অস্ত্র ক্রেতারা নিজ দেশেরও ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি তোলতে পারছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথও দেখিয়েছেন সাবেক মার্কিন এই কর্মকর্তা। ‘তুরস্কও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে শর্ত হচ্ছে আগামী নির্বাচনে এরদোগানকে পরাজিত করতে হবে। ‘

বোল্টন বরাবরই তুরস্কবিরোধী অবস্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা ‘তুরস্কে গণতান্ত্রিক প্রকল্প’ ধারণা নিয়ে এসেছেন, তাদের মধ্যে বোল্টন অন্যতম। এই প্রকল্পে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ভাই জেব বুশ এবং ইতালির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিওলিও তারজি আগাতাও রয়েছেন।