ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

তেলের দাম ও পরিবহণ ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী: জিএম কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, সরকার অযৌক্তিকভাবে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়িয়েছে। আমরা দাবি করেছিলাম তেলের দাম কমাতে। অথচ, সরকার তেলের দাম না কমিয়ে উলটো সড়ক ও নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তেলের দাম ও পরিবহণ ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। আমরা ডিজেল ও কেরোসিনের বর্ধিত দাম কমানোর দাবি করছি। পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথের বর্ধিত ভাড়া কমানোর দাবি জানাচ্ছি। এক বিবৃতিতে সোমবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৩ নভেম্বর রাতে হঠাৎ করেই ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এই সিদ্ধান্তে পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা আন্দোলনে নামলে সরকার তেলের দাম না কমিয়ে বাস ভাড়া ২৭ ভাগ এবং লঞ্চ ভাড়া ৩৫ ভাগ বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষ অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হবে। তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহণসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ।

জিএম কাদের বলেন, করোনাকালে কয়েক কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন বাস্তবতায় তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই গ্রহণঅযোগ্য সিদ্ধান্ত। পার্শ^বর্তী দেশ ভারতও এই মুহূর্তে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমিয়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয় স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি তেল ও গণপরিবহণের ভাড়া কমানো অত্যন্ত জরুরি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

তেলের দাম ও পরিবহণ ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী: জিএম কাদের

আপডেট সময় ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, সরকার অযৌক্তিকভাবে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়িয়েছে। আমরা দাবি করেছিলাম তেলের দাম কমাতে। অথচ, সরকার তেলের দাম না কমিয়ে উলটো সড়ক ও নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তেলের দাম ও পরিবহণ ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। আমরা ডিজেল ও কেরোসিনের বর্ধিত দাম কমানোর দাবি করছি। পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথের বর্ধিত ভাড়া কমানোর দাবি জানাচ্ছি। এক বিবৃতিতে সোমবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৩ নভেম্বর রাতে হঠাৎ করেই ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এই সিদ্ধান্তে পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা আন্দোলনে নামলে সরকার তেলের দাম না কমিয়ে বাস ভাড়া ২৭ ভাগ এবং লঞ্চ ভাড়া ৩৫ ভাগ বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষ অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হবে। তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহণসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ।

জিএম কাদের বলেন, করোনাকালে কয়েক কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এমন বাস্তবতায় তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই গ্রহণঅযোগ্য সিদ্ধান্ত। পার্শ^বর্তী দেশ ভারতও এই মুহূর্তে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমিয়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয় স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি তেল ও গণপরিবহণের ভাড়া কমানো অত্যন্ত জরুরি।