আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের দু’মাস হতে হতে চললেও ঘোর কাটছে না মার্কিনিদের। কীভাবে ১ লাখেরও কম সদস্যের বাহিনী দিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি স্বল্প সময়ে সমগ্র আফগানিস্তান দখল করল তার সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র।
গত দুই দিন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ আর্মস সার্ভিস কমিটিতে আফগানিস্তানের বিপর্যকর সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে তারা তালেবানের ক্ষমতার রহস্য জানিয়েছেন।
সিনেটে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি বলেন, আফগান সরকার ও মার্কিন সেনাবাহিনীর ওপর দোহা চুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়েছিল। দোহা চুক্তির পর গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সেনা কমানোর যে ঘোষণা দেন, তা ছিল কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক।
প্রসঙ্গত, কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং তালেবানের দোহা মুখপাত্র সোহাইল শাহীন উপস্থিত ছিলেন।
জেনারেল ম্যাকেঞ্জি বলেন, দোহা চুক্তি আফগান সরকারের ওপর শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পেরেছিল। আফগান সরকার বুঝতে পেরেছিল যে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই তাদের দেওয়া সব সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, দোহা চুক্তি তালেবানকে শক্তিশালী হতে সহায়তা করেছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, দোহা চুক্তি অনুসারে তালেবানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত তালেবানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তালেবান আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বাড়িয়েছে। সাপ্তাহিক হিসাবে তালেবানের হামলায় আফগানদের মৃত্যু বেড়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















