ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

দাম বাড়ানো সিন্ডিকেটের লোকেরা আওয়ামী লীগ করে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিনিসপাতির দাম বাড়ানোর সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট সদস্যরা আওয়ামী লীগের লোক বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেছেন, জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দয়া-মায়া নেই। এ কারণে জিনিসপাতির দাম নিয়ন্ত্রণে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সার, বীজ, কীটনাশক, ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, এই সরকার প্রশাসনকে দলীয়করণ করে সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে। তাই প্রশাসন থেকেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। প্রশাসনও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সহযোগিতা করে আজকে কৃষকের ন্যায্যমূল্য দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ভূলণ্ঠিত করে গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে আছে। আর তাদেরকে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া যাবে না। তাই এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। আর বিদায় করতে হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সৃষ্টি করাকে আমরা দায়িত্ব মনে করি। আমরা অচিরেই এদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি গণআন্দোলন সৃষ্টি করবো। আর এই গণআন্দোলনের মুখে সরকার বিদায় নিতে বাধ্য হবে। তাই সে অবস্থায় যাওয়ার আগে আমি এই মানববন্ধন থেকে সরকারকে আহ্বান করবো অনতিবিলম্বে আপনারা পদত্যাগ করুন। তা না হলে এদেশের জনগণ বাধ্য হবে আপনাদেরকে বিদায় করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। ভোটের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। আর সেই জনগণের সরকার কৃষকের পণ্যের ন্যায্যমূল্য ফিরিয়ে দেবে। সেই সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমিয়ে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রাখবে।

কৃষক দলের সভাপতি হাসান জারিফ তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, যুবদলের সহসভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, কৃষক দল নেতা অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, টিএস আইয়ুব ও মোশারেফ হোসেন এমপি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

দাম বাড়ানো সিন্ডিকেটের লোকেরা আওয়ামী লীগ করে

আপডেট সময় ০৬:৪২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিনিসপাতির দাম বাড়ানোর সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট সদস্যরা আওয়ামী লীগের লোক বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেছেন, জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দয়া-মায়া নেই। এ কারণে জিনিসপাতির দাম নিয়ন্ত্রণে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সার, বীজ, কীটনাশক, ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, এই সরকার প্রশাসনকে দলীয়করণ করে সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে। তাই প্রশাসন থেকেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। প্রশাসনও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সহযোগিতা করে আজকে কৃষকের ন্যায্যমূল্য দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ভূলণ্ঠিত করে গায়ের জোরে ক্ষমতায় বসে আছে। আর তাদেরকে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া যাবে না। তাই এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। আর বিদায় করতে হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সৃষ্টি করাকে আমরা দায়িত্ব মনে করি। আমরা অচিরেই এদেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি গণআন্দোলন সৃষ্টি করবো। আর এই গণআন্দোলনের মুখে সরকার বিদায় নিতে বাধ্য হবে। তাই সে অবস্থায় যাওয়ার আগে আমি এই মানববন্ধন থেকে সরকারকে আহ্বান করবো অনতিবিলম্বে আপনারা পদত্যাগ করুন। তা না হলে এদেশের জনগণ বাধ্য হবে আপনাদেরকে বিদায় করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। ভোটের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। আর সেই জনগণের সরকার কৃষকের পণ্যের ন্যায্যমূল্য ফিরিয়ে দেবে। সেই সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমিয়ে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রাখবে।

কৃষক দলের সভাপতি হাসান জারিফ তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, যুবদলের সহসভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, কৃষক দল নেতা অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, টিএস আইয়ুব ও মোশারেফ হোসেন এমপি।