ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণভোট-সংসদ নির্বাচনের ফল হবে একসঙ্গে : ইসি সচিব পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেবে না সরকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার ‘লাইলাতুল গুজব’ শেষে বিসিবিতেই দেখা গেল বুলবুলকে ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থীর ওপর বিএনপির হামলার অভিযোগ বিএনপি সব সময় নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে : রিজভী জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি

মিথ্যা বলছে আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া, রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর পর ফের বিস্ফোরক ফ্রান্স

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আবারও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান। পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা মিথ্যা বলছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এই চুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় গত শুক্রবার দেশ দুটিতে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর এমন অভিযোগ তুলল ফ্রান্স।

শনিবার টেলিভিশন চ্যানেল ফ্রান্স-২কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগ আনেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ফ্রান্সের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এই চুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্স। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দেশটির সাবমেরিন–সংশ্লিষ্ট একটি চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির আর্থিক মূল্য চার হাজার কোটি মার্কিন ডলার। দুই দেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই চুক্তির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফ্রান্সকে বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন এই চুক্তি মিত্রদেশগুলোর সম্পর্কের মধ্যে ‘মারাত্মক সংকট’ সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করেন জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা আমাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আনলাম। এটি একটি গুরুতর রাজনৈতিক পদক্ষেপ। দুই দেশের সম্পর্কে সংকট কতটা, তা এ থেকে বোঝা যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফ্রান্সের নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপের কাছ থেকে নতুন সাবমেরিন তৈরি করে নেওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়ার। সেই সাবমেরিন প্রতিস্থাপিত হওয়ার কথা পুরোনো কলিন্স সাবমেরিনের জায়গায়। গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন যখন ফ্রান্সে গিয়েছিলেন, তখনও দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরন দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন।

দুই সপ্তাহ আগেও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছিলেন- তারা ফ্রান্সের কাছ থেকেই এই সাবমেরিন তৈরি করে নেবেন। কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। এতেই চরম ক্ষেপে যায় ফ্রান্স।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট-সংসদ নির্বাচনের ফল হবে একসঙ্গে : ইসি সচিব

মিথ্যা বলছে আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া, রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর পর ফের বিস্ফোরক ফ্রান্স

আপডেট সময় ০৬:৫৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আবারও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান। পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা মিথ্যা বলছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এই চুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় গত শুক্রবার দেশ দুটিতে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর এমন অভিযোগ তুলল ফ্রান্স।

শনিবার টেলিভিশন চ্যানেল ফ্রান্স-২কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগ আনেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ফ্রান্সের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার এই চুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্স। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দেশটির সাবমেরিন–সংশ্লিষ্ট একটি চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির আর্থিক মূল্য চার হাজার কোটি মার্কিন ডলার। দুই দেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই চুক্তির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফ্রান্সকে বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন এই চুক্তি মিত্রদেশগুলোর সম্পর্কের মধ্যে ‘মারাত্মক সংকট’ সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করেন জ্যঁ-ইভেস লে ড্রিয়ান।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা আমাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আনলাম। এটি একটি গুরুতর রাজনৈতিক পদক্ষেপ। দুই দেশের সম্পর্কে সংকট কতটা, তা এ থেকে বোঝা যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফ্রান্সের নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপের কাছ থেকে নতুন সাবমেরিন তৈরি করে নেওয়ার কথা অস্ট্রেলিয়ার। সেই সাবমেরিন প্রতিস্থাপিত হওয়ার কথা পুরোনো কলিন্স সাবমেরিনের জায়গায়। গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন যখন ফ্রান্সে গিয়েছিলেন, তখনও দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরন দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন।

দুই সপ্তাহ আগেও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছিলেন- তারা ফ্রান্সের কাছ থেকেই এই সাবমেরিন তৈরি করে নেবেন। কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। এতেই চরম ক্ষেপে যায় ফ্রান্স।