ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

টুইন টাওয়ার হামলার প্রথম নথি প্রকাশ করল এফবিআই

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার হামলার ঘটনার প্রথম নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাহী আদেশ দেওয়ার পর এফবিআই এ সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করল।

১৬ পৃষ্ঠার ওই নথিতে এই হামলার বিষয়ে ২০১৬ সালে ‘অপারেশন এনকোর’ এর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই অপরেশনে ৯/১১ হামলায় উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক সাপোর্ট কারা করেছিল সে বিষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। এতে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের সঙ্গে সৌদি সহযোগীদের (একাধিক ব্যক্তি ও ফোন কল) যোগাযোগ ছিল। তারা নাওয়াল আল হাজমি এবং খালিদ আল মিধারকে সহায়তা প্রদান করেন। খবর আনাদুলু এজেন্সির

সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিচার বিভাগকে এফবিআইয়ের ৯/১১ তদন্ত থেকে সংবেদনশীল নথি প্রকাশ করার বিষয়ে পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। এই নথি সৌদি কর্মকর্তাদের বিব্রত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

টুইন টাওয়ার হামলার এই নথি প্রকাশের জন্য ভুক্তভোগীদের পরিবার থেকে চাপে ছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এসব নথির তথ্যে সৌদি সরকারের কোনো ক্ষতি হবে না কারণ এ বিষয়ে জোরালো কোনো তথ্য নেই। আগে থেকেই এই হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে সৌদি।

যুক্তরাষ্ট্রের সৌদি দূতাবাস এই নথি প্রকাশের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে সেটি প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। সেদিন চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে নিউইয়র্কের দুটি আকাশচুম্বী ভবনে হামলা চালানো হয়। ওই হামলা ছিল শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ একটি হামলা।

সেদিন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনেও হামলা চালানো হয়। এছাড়া ছিনতাই হওয়া আরও একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ার শাঙ্কসভিলে। প্রথম বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। দ্বিতীয় বিমানটি সাউথ টাওয়ারে বিধ্বস্ত হয় এর অল্প কিছুক্ষণ পরই।

তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনের সদর দপ্তরের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বিশাল এই সদর দপ্তর। এরপর সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভেনিয়ার এক মাঠে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

টুইন টাওয়ার হামলার প্রথম নথি প্রকাশ করল এফবিআই

আপডেট সময় ০১:০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার হামলার ঘটনার প্রথম নথি প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাহী আদেশ দেওয়ার পর এফবিআই এ সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করল।

১৬ পৃষ্ঠার ওই নথিতে এই হামলার বিষয়ে ২০১৬ সালে ‘অপারেশন এনকোর’ এর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই অপরেশনে ৯/১১ হামলায় উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক সাপোর্ট কারা করেছিল সে বিষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। এতে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের সঙ্গে সৌদি সহযোগীদের (একাধিক ব্যক্তি ও ফোন কল) যোগাযোগ ছিল। তারা নাওয়াল আল হাজমি এবং খালিদ আল মিধারকে সহায়তা প্রদান করেন। খবর আনাদুলু এজেন্সির

সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিচার বিভাগকে এফবিআইয়ের ৯/১১ তদন্ত থেকে সংবেদনশীল নথি প্রকাশ করার বিষয়ে পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। এই নথি সৌদি কর্মকর্তাদের বিব্রত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

টুইন টাওয়ার হামলার এই নথি প্রকাশের জন্য ভুক্তভোগীদের পরিবার থেকে চাপে ছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এসব নথির তথ্যে সৌদি সরকারের কোনো ক্ষতি হবে না কারণ এ বিষয়ে জোরালো কোনো তথ্য নেই। আগে থেকেই এই হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে সৌদি।

যুক্তরাষ্ট্রের সৌদি দূতাবাস এই নথি প্রকাশের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে সেটি প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। সেদিন চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে নিউইয়র্কের দুটি আকাশচুম্বী ভবনে হামলা চালানো হয়। ওই হামলা ছিল শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ একটি হামলা।

সেদিন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনেও হামলা চালানো হয়। এছাড়া ছিনতাই হওয়া আরও একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ার শাঙ্কসভিলে। প্রথম বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে নর্থ টাওয়ারে আঘাত হানে। দ্বিতীয় বিমানটি সাউথ টাওয়ারে বিধ্বস্ত হয় এর অল্প কিছুক্ষণ পরই।

তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনের সদর দপ্তরের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বিশাল এই সদর দপ্তর। এরপর সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভেনিয়ার এক মাঠে।