আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে ‘স্লেজিং’ নাকি বেশ কার্যকর। অন্তত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা সেটিই মনে করেন। উইকেটে ব্যাটসম্যানের মনঃসংযোগ নষ্ট করতে স্লেজিং ব্যবহার করেন তাঁরা। কিন্তু একজন ক্রিকেটারের সামনে নাকি ‘স্লেজিং’ কার্যকর কোনো অস্ত্র নয়। তাঁকে রাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা নয়, কুড়ালের ওপর নিজের পা ফেলা।
তিনি আর কেউ নন, ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সাবেক অস্ট্রেলীয় পেসার স্টুয়ার্ট ক্লার্কের মতে, রেগে গেলেই নাকি কোহলি বেশি ভালো খেলেন। বোলার যদি তাঁর সঙ্গে কথার লড়াই শুরু করেন, তাহলে তাঁর পারফরম্যান্স ১০ গুণ ভালো হয়ে যায়।
কলকাতার সর্বশেষ ওয়ানডেতে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের সঙ্গে এক প্রস্থ কথার লড়াই হয়ে গিয়েছে কোহলির। ব্যক্তিগত ৭৯ রানে মার্কাস স্টয়নিসের বলে একটি বাই রান নিয়েছিলেন কোহলি। ওয়েডের হাত ফসকে বলটি বেরিয়েছিল বলেই হয়তো মেজাজ সামলাতে পারেননি তিনি। দুকথা শুনিয়ে দেন কোহলিকে। পরে স্টয়নিসও যোগ দেন স্লেজিংয়ে।
কোহলিও ছেড়ে কথা বলেননি। তিনি নাকি বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য আমার রীতিমতো করুণা হয়।’
ক্লার্ক খেপেছেন ওয়েডের ওপরই। তাঁর রাগ হচ্ছে, ওয়েড কেন কোহলিকে রাগিয়ে দিলেন, ‘ওয়েড তো মিস ফিল্ডিং করেছিল।
একটা রানই না হয় কোহলি নিত। দলে এর চেয়ে গুরুতর ইস্যু আছে। কোহলি উচিত কাজই করেছে।’
এরপরই অস্ট্রেলীয় দলকে সতর্ক করেছেন তিনি, ‘আমি হলে কখনোই কোহলিকে ঘাঁটাতাম না। সে লড়াই করতে ভালোবাসে, আর মুখের লড়াই হলে তো ১০ গুণ বেশি ভালো খেলে।’
রোববার ইন্দোরে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। সূত্র: জি নিউজ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























