ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

বাজপাখির দাম ৭৯ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবের এক নিলামে বিরল প্রজাতির একটি বাজপাখির দাম উঠেছে ৯৩ হাজার ৩৪৭ মার্কিন ডলার বা ৭৯ লাখ টাকা। যা এখন পর্যন্ত বাজপাখির জন্য কোনো সৌদি নিলামে ওঠা সর্বোচ্চ মূল্য। বাজপাখিটি সুপার হোয়াইট গিরফ্যালকন ফরখ প্রজাতির। সৌদি ফ্যালকন ক্লাব আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফ্যালকন ব্রিডার্স অকশানের অষ্টম দিনে গত রবিবার এই পাখিটি রেকর্ডসংখ্যক দামে বিক্রি হয়।

বাজপাখিটির বয়স এক বছরেরও কম। বাজপাখিটি ১৮.৫ ইঞ্চি লম্বা ও চওড়া। ওজন ১.৬ কিলোগ্রাম। এ মাসের শুরুতেই প্রায় ৬১ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সৌদি প্রজননকৃত বাজপাখি রাঘওয়ানের রেকর্ড ভেঙেছে পাখিটি।

কানাডীয় প্রতিষ্ঠান জিম উইলসন ফ্যালকনসে প্রজননকৃত এই পাখির নিলাম শুরুই হয় প্রায় ৫৬ লাখ টাকায়। ৭৯ লাখ টাকায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয় বিরল প্রজাতির বাজপাখিটি। তবে ক্রেতার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

জিম উইলসন ফ্যালকনসের মুখপাত্র ফারিস আল-ফারিস বলেন, খামারটি রোববারের রেকর্ড ভাঙা পাখিটির সমান গুণের প্রায় ৩০০টি বাজপাখি প্রজনন করে প্রতি বছর। তাদের খামারটি আল-মাজায়েন প্রতিযোগিতা (বাজপাখির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা) এবং বাজপাখির দৌড় প্রতিযোগিতায় অন্য যেকোনো আন্তর্জাতিক খামারের তুলনায় বেশি সাফল্য অর্জন করেছে।

বাজপাখি পালন মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের মানুষদের খুবই প্রাচীন এক শখ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজপাখি প্রজনন কোটি কোটি ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। গতি, সৌন্দর্য ও চাতুর্যের মতো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং বংশের ওপর ভিত্তি করে রেকর্ড দামে এসব বাজপাখি বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজপাখি শিল্পে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল্লাহ শামরুখ বলেন, প্রজননের জন্য এসব পাখি কেনা এখন একটি লাভজনক ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বাজপাখির বিরলতার কারণে বাজারও খুব প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।

আরব নিউজকে তিনি বলেন, কেউ কেউ বিশুদ্ধ জাত পছন্দ করে, অন্যরা হাইব্রিড পছন্দ করে। প্রজনন খামারগুলোর সাফল্যের হার বাজপাখি মালিকদের মালিকানাধীন পাখির সংখ্যা শুধু বৃদ্ধিই করেনি, এটি এখন তাদের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। এখন বাজপাখিগুলোর বিক্রি ওদের প্রজাতি, বৈশিষ্ট্য ও উৎপত্তির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাজপাখির দাম ৭৯ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১০:৩২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সৌদি আরবের এক নিলামে বিরল প্রজাতির একটি বাজপাখির দাম উঠেছে ৯৩ হাজার ৩৪৭ মার্কিন ডলার বা ৭৯ লাখ টাকা। যা এখন পর্যন্ত বাজপাখির জন্য কোনো সৌদি নিলামে ওঠা সর্বোচ্চ মূল্য। বাজপাখিটি সুপার হোয়াইট গিরফ্যালকন ফরখ প্রজাতির। সৌদি ফ্যালকন ক্লাব আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফ্যালকন ব্রিডার্স অকশানের অষ্টম দিনে গত রবিবার এই পাখিটি রেকর্ডসংখ্যক দামে বিক্রি হয়।

বাজপাখিটির বয়স এক বছরেরও কম। বাজপাখিটি ১৮.৫ ইঞ্চি লম্বা ও চওড়া। ওজন ১.৬ কিলোগ্রাম। এ মাসের শুরুতেই প্রায় ৬১ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সৌদি প্রজননকৃত বাজপাখি রাঘওয়ানের রেকর্ড ভেঙেছে পাখিটি।

কানাডীয় প্রতিষ্ঠান জিম উইলসন ফ্যালকনসে প্রজননকৃত এই পাখির নিলাম শুরুই হয় প্রায় ৫৬ লাখ টাকায়। ৭৯ লাখ টাকায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয় বিরল প্রজাতির বাজপাখিটি। তবে ক্রেতার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

জিম উইলসন ফ্যালকনসের মুখপাত্র ফারিস আল-ফারিস বলেন, খামারটি রোববারের রেকর্ড ভাঙা পাখিটির সমান গুণের প্রায় ৩০০টি বাজপাখি প্রজনন করে প্রতি বছর। তাদের খামারটি আল-মাজায়েন প্রতিযোগিতা (বাজপাখির সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা) এবং বাজপাখির দৌড় প্রতিযোগিতায় অন্য যেকোনো আন্তর্জাতিক খামারের তুলনায় বেশি সাফল্য অর্জন করেছে।

বাজপাখি পালন মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের মানুষদের খুবই প্রাচীন এক শখ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাজপাখি প্রজনন কোটি কোটি ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। গতি, সৌন্দর্য ও চাতুর্যের মতো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং বংশের ওপর ভিত্তি করে রেকর্ড দামে এসব বাজপাখি বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজপাখি শিল্পে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল্লাহ শামরুখ বলেন, প্রজননের জন্য এসব পাখি কেনা এখন একটি লাভজনক ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বাজপাখির বিরলতার কারণে বাজারও খুব প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে।

আরব নিউজকে তিনি বলেন, কেউ কেউ বিশুদ্ধ জাত পছন্দ করে, অন্যরা হাইব্রিড পছন্দ করে। প্রজনন খামারগুলোর সাফল্যের হার বাজপাখি মালিকদের মালিকানাধীন পাখির সংখ্যা শুধু বৃদ্ধিই করেনি, এটি এখন তাদের কৌশলের অংশ হয়ে গেছে। এখন বাজপাখিগুলোর বিক্রি ওদের প্রজাতি, বৈশিষ্ট্য ও উৎপত্তির ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল।