ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

প্রতিপক্ষের কাছে খাবার বিক্রি করায় রেস্তোরাঁয় তালা দিলেন কাদের মির্জা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে বসুরহাটের ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এবার তালা মেরে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে খাল দখল করে অবৈধ ভাবে ভরাট করায় তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।

রবিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাদের মির্জার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর ভাগ্নে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর বাসায় তার অনুসারীরা এলে প্রায় ফেন্সী হোটেল থেকে খাবার কিনে নেয়া হয়। প্রতিপক্ষের নেতার বাসায় খাবার বিক্রি ও সরবরাহের অভিযোগ তুলে এ রেস্তোরাঁয় তালা মেরে দেওয়া হয়। তালা মেরে দেওয়ার পর থেকে হোটেলের ম্যানেজারসহ অন্যান্য কর্মচারীরা হোটেলের সামনে অবস্থান করছে।

ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক সুরুজ মিয়া জানান, ‘আমাদের এখান থেকে কে খানা নেয়। আমাদের এখান থেকে খানা যায় কোন খানে। আমরা কোন খানে খানা দি। আমাদের খানা কোথায় যায়। এ গুলো নিয়ে বিকেল ৫টার দিকে হোটেল বন্ধ করে চলে যায় কাদের মির্জা।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেন, ‘আমরা কখনো এ হোটেল থেকে খাবার ক্রয় করি না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ খালের উপর অবৈধ ভাবে দখল করায় তার হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেও তাকে সতর্ক করা হয়েছে। সে পুনরায় খাল দখল করে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, তার কাছে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত (২৭ মার্চ) শনিবার রাত ৯টার দিকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে বসুরহাটের আজমিরি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

প্রতিপক্ষের কাছে খাবার বিক্রি করায় রেস্তোরাঁয় তালা দিলেন কাদের মির্জা

আপডেট সময় ১০:৫৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে বসুরহাটের ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এবার তালা মেরে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে খাল দখল করে অবৈধ ভাবে ভরাট করায় তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।

রবিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাদের মির্জার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর ভাগ্নে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর বাসায় তার অনুসারীরা এলে প্রায় ফেন্সী হোটেল থেকে খাবার কিনে নেয়া হয়। প্রতিপক্ষের নেতার বাসায় খাবার বিক্রি ও সরবরাহের অভিযোগ তুলে এ রেস্তোরাঁয় তালা মেরে দেওয়া হয়। তালা মেরে দেওয়ার পর থেকে হোটেলের ম্যানেজারসহ অন্যান্য কর্মচারীরা হোটেলের সামনে অবস্থান করছে।

ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক সুরুজ মিয়া জানান, ‘আমাদের এখান থেকে কে খানা নেয়। আমাদের এখান থেকে খানা যায় কোন খানে। আমরা কোন খানে খানা দি। আমাদের খানা কোথায় যায়। এ গুলো নিয়ে বিকেল ৫টার দিকে হোটেল বন্ধ করে চলে যায় কাদের মির্জা।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেন, ‘আমরা কখনো এ হোটেল থেকে খাবার ক্রয় করি না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ খালের উপর অবৈধ ভাবে দখল করায় তার হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেও তাকে সতর্ক করা হয়েছে। সে পুনরায় খাল দখল করে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, তার কাছে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত (২৭ মার্চ) শনিবার রাত ৯টার দিকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে বসুরহাটের আজমিরি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।