ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কাবুলে হামলাকারীদের চরম মূল্য দিতে হবে: বাইডেন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িতদের ক্ষমা করা হবে না। তাদেরকে কঠিন মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ জন মার্কিন নৌবাহিনীর সেনা রয়েছে।

বিস্ফোরণে জড়িতদের উদ্দেশে জো বাইডেন হুঁশিয়ারি বলেন, ‘আমরা ক্ষমা করব না। আমরা তোমাদের খুঁজে বের করব এবং তোমাদের এর মূল্য চোকাতে হবে।’

বাইডেন বলেছেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আঘাত হানবে মার্কিন সেনা। তাদের চরম জবাব দেওয়া হবে। তবে একইসঙ্গে বাইডেন বলেছেন, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উদ্ধারকাজ বন্ধ করা যাবে না। যে গতিতে উদ্ধারকাজ চলছে, তা জারি রাখা হবে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই হামলার ঘটনার তালেবানের কোনো হাত নেই। অর্থাৎ, আইএসআইএস খোরাসানের সঙ্গে তালেবান হাত মেলায়নি। বরং তারা ওই গোষ্ঠীর বিরোধী।

বাইডেন জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি সংস্থায় কাজ করা বহু আফগানও আছেন। আর এক হাজার মার্কিন নাগরিক এখনো আফগানিস্তানে আটকে আছেন। ৩১ অগাস্টের মধ্যই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

৩১ অগাস্টের পর কোনো ভাবেই মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে থাকবেন না বলে এদিন ফের জানিয়েছেন বাইডেন।

এরই মধ্যে জোড়া বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস। নিজস্ব বার্তা সংস্থা আমাক-এর এক প্রতিবেদনে হামলার দায় স্বীকার করে তারা।

আমাকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইএস এর এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ‘ব্যারন ক্যাম্প’ এ মার্কিন সেনাবাহিনী ও তাদের হয়ে কাজ করা আফগান এবং দোভাষীদের ভিড়ে ঢুকে যেতে সক্ষম হয়েছে। এরপরই বিস্ফোরক বেল্টের বিস্ফোরণ ঘটায় সে।

আইএস’র বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়ে বাইডেন বলেছেন, ‘আমাদের বাহিনী সঠিক জায়গা এবং সঠিক সময়মত এর জবাব দেবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কাবুলে হামলাকারীদের চরম মূল্য দিতে হবে: বাইডেন

আপডেট সময় ১২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িতদের ক্ষমা করা হবে না। তাদেরকে কঠিন মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ জন মার্কিন নৌবাহিনীর সেনা রয়েছে।

বিস্ফোরণে জড়িতদের উদ্দেশে জো বাইডেন হুঁশিয়ারি বলেন, ‘আমরা ক্ষমা করব না। আমরা তোমাদের খুঁজে বের করব এবং তোমাদের এর মূল্য চোকাতে হবে।’

বাইডেন বলেছেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আঘাত হানবে মার্কিন সেনা। তাদের চরম জবাব দেওয়া হবে। তবে একইসঙ্গে বাইডেন বলেছেন, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উদ্ধারকাজ বন্ধ করা যাবে না। যে গতিতে উদ্ধারকাজ চলছে, তা জারি রাখা হবে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই হামলার ঘটনার তালেবানের কোনো হাত নেই। অর্থাৎ, আইএসআইএস খোরাসানের সঙ্গে তালেবান হাত মেলায়নি। বরং তারা ওই গোষ্ঠীর বিরোধী।

বাইডেন জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি সংস্থায় কাজ করা বহু আফগানও আছেন। আর এক হাজার মার্কিন নাগরিক এখনো আফগানিস্তানে আটকে আছেন। ৩১ অগাস্টের মধ্যই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

৩১ অগাস্টের পর কোনো ভাবেই মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে থাকবেন না বলে এদিন ফের জানিয়েছেন বাইডেন।

এরই মধ্যে জোড়া বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইএস। নিজস্ব বার্তা সংস্থা আমাক-এর এক প্রতিবেদনে হামলার দায় স্বীকার করে তারা।

আমাকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইএস এর এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ‘ব্যারন ক্যাম্প’ এ মার্কিন সেনাবাহিনী ও তাদের হয়ে কাজ করা আফগান এবং দোভাষীদের ভিড়ে ঢুকে যেতে সক্ষম হয়েছে। এরপরই বিস্ফোরক বেল্টের বিস্ফোরণ ঘটায় সে।

আইএস’র বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়ে বাইডেন বলেছেন, ‘আমাদের বাহিনী সঠিক জায়গা এবং সঠিক সময়মত এর জবাব দেবে।’