ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

পাঞ্জশির ঘিরে ফেলার দাবি তালেবানের, হুঁশিয়ারি মাসুদ বাহিনীর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আফগানিস্তানের পাঞ্জশির উপত্যকায় যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সেখানকার তালেবান বিরোধী গোষ্ঠী ন্যাশনাল রেজিস্টেন্স ফ্রন্ট অব আফগানিস্তান (এনআরএফ) হার না মানার ঘোষণা দিয়েছে। অপরদিকে তালেবান ওই উপত্যকা ঘিরে ফেলার দাবি করেছে।

এনআরএফ এর বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক প্রধান আলী নাজারি বলেছেন যে, তারা শান্তিপূর্ণ সমঝোতা চান। তবে প্রয়োজনে হাজার হাজার সদস্য যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। খবর বিবিসির।

আলী নাজারি বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের আগ্রাসন মেনে নেব না’।

এদিকে তালেবান বলছে যে, পাঞ্জশির উপত্যকায় এই গোষ্ঠীটির শক্তিশালী ঘাঁটি তারা ঘিরে ফেলেছে এবং বিরোধীদেরকেও ঘেরাও করা হয়েছে। কাবুলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তাদের যোদ্ধারা।

তালেবানের হাতে ক্ষমতা হারানো আফগান সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এখন পাঞ্জশিরে রয়েছেন। তিনিও এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন যে, তালেবানরা ওই উপত্যকার প্রবেশমুখে তাদের বাহিনী জড়ো করছে।

হামলা ঠেকানোর জন্য পাঞ্জশির অঞ্চল- বিশেষ করে পাঞ্জশির উপত্যকার সুনাম রয়েছে। ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় সোভিয়েত সেনাদের হটানো এবং ১৯৯০-এর দশকে তালেবানদের হটিয়ে দেয়ার জন্য ওই অঞ্চল বিখ্যাত।

এখনও ওই অঞ্চলটি এনআরএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই গোষ্ঠীটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আফগান প্রতিরোধের নায়ক বলে পরিচিত আহমদ শাহ মাসুদের ছেলে আহমদ মাসুদ।

আহমদ শাহ মাসুদ ছিলেন একজন শক্তিশালী গেরিলা কমান্ডার যিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ১৯৯০ -এর দশকে বিদ্রোহী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আফগান সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরও ২০০১ সালে তাকে হত্যার আগ পর্যন্ত তালেবান শাসনের বিরুদ্ধে তিনিই ছিলেন প্রধান বিরোধী কমান্ডার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

পাঞ্জশির ঘিরে ফেলার দাবি তালেবানের, হুঁশিয়ারি মাসুদ বাহিনীর

আপডেট সময় ০১:৩০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

আফগানিস্তানের পাঞ্জশির উপত্যকায় যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সেখানকার তালেবান বিরোধী গোষ্ঠী ন্যাশনাল রেজিস্টেন্স ফ্রন্ট অব আফগানিস্তান (এনআরএফ) হার না মানার ঘোষণা দিয়েছে। অপরদিকে তালেবান ওই উপত্যকা ঘিরে ফেলার দাবি করেছে।

এনআরএফ এর বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক প্রধান আলী নাজারি বলেছেন যে, তারা শান্তিপূর্ণ সমঝোতা চান। তবে প্রয়োজনে হাজার হাজার সদস্য যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। খবর বিবিসির।

আলী নাজারি বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের আগ্রাসন মেনে নেব না’।

এদিকে তালেবান বলছে যে, পাঞ্জশির উপত্যকায় এই গোষ্ঠীটির শক্তিশালী ঘাঁটি তারা ঘিরে ফেলেছে এবং বিরোধীদেরকেও ঘেরাও করা হয়েছে। কাবুলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তাদের যোদ্ধারা।

তালেবানের হাতে ক্ষমতা হারানো আফগান সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এখন পাঞ্জশিরে রয়েছেন। তিনিও এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন যে, তালেবানরা ওই উপত্যকার প্রবেশমুখে তাদের বাহিনী জড়ো করছে।

হামলা ঠেকানোর জন্য পাঞ্জশির অঞ্চল- বিশেষ করে পাঞ্জশির উপত্যকার সুনাম রয়েছে। ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় সোভিয়েত সেনাদের হটানো এবং ১৯৯০-এর দশকে তালেবানদের হটিয়ে দেয়ার জন্য ওই অঞ্চল বিখ্যাত।

এখনও ওই অঞ্চলটি এনআরএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই গোষ্ঠীটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আফগান প্রতিরোধের নায়ক বলে পরিচিত আহমদ শাহ মাসুদের ছেলে আহমদ মাসুদ।

আহমদ শাহ মাসুদ ছিলেন একজন শক্তিশালী গেরিলা কমান্ডার যিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ১৯৯০ -এর দশকে বিদ্রোহী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আফগান সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরও ২০০১ সালে তাকে হত্যার আগ পর্যন্ত তালেবান শাসনের বিরুদ্ধে তিনিই ছিলেন প্রধান বিরোধী কমান্ডার।