ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বেনজিরকে ফেরাতে ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী যুবক ও যুব নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চান: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

গুলি করে সরকার আন্দোলন দমন করতে চায়: মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই, জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এজন্য তারা পুলিশ দিয়ে গুলি করে, লাঠিচার্জ করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করে রাখতে চায়।

জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করা সম্ভব হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ কমিটি সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবে।
মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীদের আজকে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পন ও জিয়ারতের কর্মসূচি ছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা এখানে পার্কের বাইরে যখন সমবেত হচ্ছিলেন, তখন ওখানে সাড়ে দশটার সময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ একটা কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য গুলি, লাঠিচার্জ এবং টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ অসংখ্য নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। আমরা সরকারের পুলিশের এমন কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা মনে করি যে, এটা একটা ফ্যাসিস্ট সরকার। এভাবে নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যাহত করার প্রচেষ্টা চালায়।

তিনি আরো বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতা ও কর্মী ভাইদের যারা শত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আজকে এখানে উপস্থিত হয়ে শেষ পর্যন্ত জিয়ারত করেছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আমরা এখনও হিসাব করে বলতে পারছি না কতজন আহত হয়েছেন। আমরা জানলে আপনাদের জানাবো।

পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীরা আগে উস্কানি দিয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ। শান্তিপূর্ণ একটা বিষয়। ফুল দিতে এসেছে, জিয়ারত করবে। সেখানে উস্কানির প্রশ্নই উঠতে পারে না।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

গুলি করে সরকার আন্দোলন দমন করতে চায়: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৩:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই, জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এজন্য তারা পুলিশ দিয়ে গুলি করে, লাঠিচার্জ করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করে রাখতে চায়।

জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করা সম্ভব হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ কমিটি সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবে।
মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীদের আজকে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পন ও জিয়ারতের কর্মসূচি ছিল। আমাদের নেতাকর্মীরা এখানে পার্কের বাইরে যখন সমবেত হচ্ছিলেন, তখন ওখানে সাড়ে দশটার সময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ একটা কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য গুলি, লাঠিচার্জ এবং টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ অসংখ্য নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। আমরা সরকারের পুলিশের এমন কাজের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা মনে করি যে, এটা একটা ফ্যাসিস্ট সরকার। এভাবে নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যাহত করার প্রচেষ্টা চালায়।

তিনি আরো বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতা ও কর্মী ভাইদের যারা শত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আজকে এখানে উপস্থিত হয়ে শেষ পর্যন্ত জিয়ারত করেছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আমরা এখনও হিসাব করে বলতে পারছি না কতজন আহত হয়েছেন। আমরা জানলে আপনাদের জানাবো।

পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপি নেতাকর্মীরা আগে উস্কানি দিয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ। শান্তিপূর্ণ একটা বিষয়। ফুল দিতে এসেছে, জিয়ারত করবে। সেখানে উস্কানির প্রশ্নই উঠতে পারে না।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।