ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ক্ষোভ ঝাড়লেন হাসনাত আব্দুল্লাহ উন্নয়নমূলক কাজে ইউনিয়নভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে: ডেপুটি স্পিকার দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীদের উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায় : ববি হাজ্জাজ সংকট না থাকলে রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিমি লম্বা লাইন কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে: জামায়াত আমির অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ সোমবার থেকে সারা দেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টায় অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ৭ আগস্ট থেকে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হতে চলেছে। ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সিনোফার্মের টিকা আছে ৪৩ লাখ ডোজ, আগামী দুই সপ্তাহে কত টিকা আসবে, কীভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার আমরা করেছি। সমস্ত পরিকল্পনা নির্ভর করে অন্যান্য অনুষঙ্গের সহায়তার ওপর। টিকার সরবরাহ যদি ঠিক থাকে, পর্যাপ্ত টিকা যদি আমাদের হাতে থাকে, তাহলে এই পরিমাণ টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আমরা রাখি। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করছি।

লকডাউনের কারণে যারা ঢাকার বাইরে আছেন, তারা সেখানে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ ঢাকায় এসে নিতে পারবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে ঢাকার ৫টি কেন্দ্রে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তারা সেখানে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবেন। এই বিষয়ে এখনও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

যারা করোনা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু টিকা নেওয়ার জন্য এখনও এসএমএসের অপেক্ষায় রয়েছেন, তারা কি সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেবেন নাকি এসএমএস না পেলে টিকা নিতে পারবেন না, জানতে চাইলে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, এসএমএস পেয়েই টিকাকেন্দ্রে যাওয়া উত্তম, তাহলে অহেতুক ভিড় এড়িয়ে যাওয়া যাবে। এছাড়াও আমরা জানি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে যাওয়ার চেয়ে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রটি সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই উত্তম। ফটোকপি দেখে কাগজপত্র সঠিক কি না বোঝা মুশকিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেমের গুঞ্জনের মধ্যেই প্রকাশ্যে ট্রুডো-কেটির ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আপডেট সময় ০৫:১৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টায় অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ৭ আগস্ট থেকে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হতে চলেছে। ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সিনোফার্মের টিকা আছে ৪৩ লাখ ডোজ, আগামী দুই সপ্তাহে কত টিকা আসবে, কীভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার আমরা করেছি। সমস্ত পরিকল্পনা নির্ভর করে অন্যান্য অনুষঙ্গের সহায়তার ওপর। টিকার সরবরাহ যদি ঠিক থাকে, পর্যাপ্ত টিকা যদি আমাদের হাতে থাকে, তাহলে এই পরিমাণ টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আমরা রাখি। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করছি।

লকডাউনের কারণে যারা ঢাকার বাইরে আছেন, তারা সেখানে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ ঢাকায় এসে নিতে পারবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে ঢাকার ৫টি কেন্দ্রে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তারা সেখানে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবেন। এই বিষয়ে এখনও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

যারা করোনা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু টিকা নেওয়ার জন্য এখনও এসএমএসের অপেক্ষায় রয়েছেন, তারা কি সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেবেন নাকি এসএমএস না পেলে টিকা নিতে পারবেন না, জানতে চাইলে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, এসএমএস পেয়েই টিকাকেন্দ্রে যাওয়া উত্তম, তাহলে অহেতুক ভিড় এড়িয়ে যাওয়া যাবে। এছাড়াও আমরা জানি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে যাওয়ার চেয়ে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রটি সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই উত্তম। ফটোকপি দেখে কাগজপত্র সঠিক কি না বোঝা মুশকিল।