ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

প্রথম বিয়ে গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়ে আটক বর-ঘটক,

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতারণা করে বিয়ে করতে এসে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন বর, ঘটক ও এক ভুয়া সাংবাদিক। গতকাল সোমবার রাত ৮টায় উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের পূষণী গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চন্দ্র দাশের কাছে মুচলেকা ও কনে পক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে ছাড়া পান তারা।

ওই তিন প্রতারক হলেন উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার গ্রামের জুনাব আলীর ছেলে বর ফারুক আলী (৩৯), একই গ্রামের শওকত আলীর ছেলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলাম (৪০) ও খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে ঘটক কচির আলী (৩৮)।

সূত্র জানায়, ঘটক কচির আলীর মাধ্যমে পূষণী গুচ্ছগ্রামের হানিফ আলীর মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক হয় ফারুক আলীর। সময় নির্ধারণ হয় সোমবার রাতে। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করেন কনে পক্ষ। নির্ধারিত সময়ে ঘটক কচির আলী ও সামসুল ইসলামকে সাথে নিয়ে কনের ঘরে আসেন বর ফারুক আলী। এসময় সামসুল নিজেকে সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।

কনের পিতা হানিফ আলী জানান, ‘বিয়ের আগ মূহুর্তে আমরা জানতে পারি বর ফারুক আলী বিবাহিত। তার সন্তানও রয়েছে। অথচ, বিয়ের আলাপকালে বিষয়টি বর গোপন রাখেন। তার স্ত্রী-সন্তান আছে জেনে আমরা বুঝতে পারি তিনি প্রতারণায় আশ্রয় নিয়ে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে এসেছেন। তাদের সাথে থাকা সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলামও সাংবাদিক নন। ভুয়া সাংবাদিক। পরে আমরা তাদেরকে আটকে রেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনকে অবহিত করি।

ইউপি সদস্য সিরাজ সিরাজ উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে ওই তিন প্রতারককে আমার জিম্মায় রেখে আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশে তার অফিস কক্ষে নিয়ে যাই।

খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া, উভয়পক্ষের স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সংবাদকর্মীসহ আমার উপস্থিতিতে ওই তিনজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে মুচলেকা এবং কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে তারা ছাড়া পেয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরপ্রশাসক সুমন চন্দ্র দাশ। তিনি বলেন, তারা ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন। সেইসাথে কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের ৬ হাজার টাকাও দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

প্রথম বিয়ে গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়ে আটক বর-ঘটক,

আপডেট সময় ১১:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতারণা করে বিয়ে করতে এসে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন বর, ঘটক ও এক ভুয়া সাংবাদিক। গতকাল সোমবার রাত ৮টায় উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের পূষণী গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চন্দ্র দাশের কাছে মুচলেকা ও কনে পক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে ছাড়া পান তারা।

ওই তিন প্রতারক হলেন উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার গ্রামের জুনাব আলীর ছেলে বর ফারুক আলী (৩৯), একই গ্রামের শওকত আলীর ছেলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলাম (৪০) ও খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে ঘটক কচির আলী (৩৮)।

সূত্র জানায়, ঘটক কচির আলীর মাধ্যমে পূষণী গুচ্ছগ্রামের হানিফ আলীর মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক হয় ফারুক আলীর। সময় নির্ধারণ হয় সোমবার রাতে। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করেন কনে পক্ষ। নির্ধারিত সময়ে ঘটক কচির আলী ও সামসুল ইসলামকে সাথে নিয়ে কনের ঘরে আসেন বর ফারুক আলী। এসময় সামসুল নিজেকে সিলেটের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।

কনের পিতা হানিফ আলী জানান, ‘বিয়ের আগ মূহুর্তে আমরা জানতে পারি বর ফারুক আলী বিবাহিত। তার সন্তানও রয়েছে। অথচ, বিয়ের আলাপকালে বিষয়টি বর গোপন রাখেন। তার স্ত্রী-সন্তান আছে জেনে আমরা বুঝতে পারি তিনি প্রতারণায় আশ্রয় নিয়ে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে এসেছেন। তাদের সাথে থাকা সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সামসুল ইসলামও সাংবাদিক নন। ভুয়া সাংবাদিক। পরে আমরা তাদেরকে আটকে রেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনকে অবহিত করি।

ইউপি সদস্য সিরাজ সিরাজ উদ্দিন বলেন, সোমবার রাতে ওই তিন প্রতারককে আমার জিম্মায় রেখে আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশে তার অফিস কক্ষে নিয়ে যাই।

খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া, উভয়পক্ষের স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সংবাদকর্মীসহ আমার উপস্থিতিতে ওই তিনজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে মুচলেকা এবং কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে তারা ছাড়া পেয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরপ্রশাসক সুমন চন্দ্র দাশ। তিনি বলেন, তারা ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন। সেইসাথে কনেপক্ষের ক্ষতিপূরণের ৬ হাজার টাকাও দিয়েছেন।