ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের শিক্ষাখাতে ৪২৩ কোটি টাকা সহায়তা দিল ইইউ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের শিক্ষাখাত আরও শক্তিশালী করতে ৪২৩ কোটি টাকা (৪২ মিলিয়ন ইউরো) সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ বাংলাদেশ সরকারের কাছে এ সহায়তা হস্তান্তর করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ঢাকার ইইউ অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-২০২১’ এর কর্মসূচির আওতায় এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষাখাত শক্তিশালী, প্রাথমিক ও কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনসে তিরিঙ্ক বলেছেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূলে রয়েছে শিক্ষা। সবার জন্য সমানভাবে প্রাথমিক, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ভবিষ্যতের চাকরির বাজার ও কর্মসংস্থান। সে কারণে এ খাতে সহযোগিতায় রয়েছে ইইউ।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারিতে অব্যাহতভাবে স্কুল বন্ধে ইইউ উদ্বিগ্ন। তবে মহামারি পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সম্ভব পুনরায় স্কুল খোলার পথে অগ্রসর হতে হবে। কারণ দূরবর্তী শিক্ষা প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশের শিক্ষাখাতে ৪২৩ কোটি টাকা সহায়তা দিল ইইউ

আপডেট সময় ০৬:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের শিক্ষাখাত আরও শক্তিশালী করতে ৪২৩ কোটি টাকা (৪২ মিলিয়ন ইউরো) সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ বাংলাদেশ সরকারের কাছে এ সহায়তা হস্তান্তর করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ঢাকার ইইউ অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-২০২১’ এর কর্মসূচির আওতায় এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষাখাত শক্তিশালী, প্রাথমিক ও কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনসে তিরিঙ্ক বলেছেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূলে রয়েছে শিক্ষা। সবার জন্য সমানভাবে প্রাথমিক, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ভবিষ্যতের চাকরির বাজার ও কর্মসংস্থান। সে কারণে এ খাতে সহযোগিতায় রয়েছে ইইউ।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারিতে অব্যাহতভাবে স্কুল বন্ধে ইইউ উদ্বিগ্ন। তবে মহামারি পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সম্ভব পুনরায় স্কুল খোলার পথে অগ্রসর হতে হবে। কারণ দূরবর্তী শিক্ষা প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।