ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে দুই সিটিকে গতি বাড়ানোর নির্দেশ জিয়া পরিবারের নেতৃত্বে ১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি : রিজভী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী এবার বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ শ্রমবাজার নিয়ে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার ফলপ্রসূ আলোচনা হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থায় এগোচ্ছে সরকার ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের ৯ দফা দাবি সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত

কেয়ামতের যে ১০ আলামত ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর বয়স যত বাড়ছে, আমরা ততোই কেয়ামতের নিকটবর্তী হচ্ছি। রাসুলুল্লাহ (সা.) তার হাদিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে কিয়ামতের অনেক নিদর্শনের বর্ণনা দিয়েছেন।

তন্মধ্যে বেশ কিছু নিদর্শন ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়ে গেছে বলে অনেক স্কলার বলছেন। এর দ্বারা এটিই প্রতিভাত হচ্ছে যে, কেয়ামত অতিনিকটে চলে এসেছে।

দিন যতই সামনের দিকে এগোচ্ছে, নবীজির (সা.) বলে যাওয়া নিদর্শনগুলো ততই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এখানে তার বলে যাওয়া এমন ১০টি নিদর্শন তুলে ধরা হলো—

১. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার পরে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম ইরাকে ফিতনা সৃষ্টি হবে। নবীজির (সা.) এ ভবিষ্যদ্বাণী আজ সত্যে পরিণত হয়েছে।

২. নবীজি (সা.) বলেন, তাবুকের যে স্থানটিতে কূপ রয়েছে, সেটি কিয়ামতের আগে ফুলে-ফলে ভরে উঠবে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাবুকের ওই স্থানটি রীতিমতো বাগানে পরিণত হয়েছে।

৩. তিনি আরও বলেন, লোকেরা এত পরিমাণ সম্পদশালী হয়ে উঠবে যে, কেউই জাকাত গ্রহণ করতে চাইবে না। আজ এর সত্যতা আমাদের কাছে স্পষ্ট।

৪. অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, তীব্র ঠাণ্ডা ও দাবদাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাপক হারে দেখা দেবে; এতে করে মাঠঘাট ফসলহীন হয়ে পড়বে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের উৎপাদন কী পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

৫. আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্য থেকে যখন আমানতদারিতা উঠে যাবে, তখন তোমরা কিয়ামতের অপেক্ষায় থাকো। এর অর্থ হলো— সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে আমানতদারিতা দূর হয়ে যাবে। আর বর্তমানে ধোঁকাবাজি, প্রতারণা ও চুরি-চামারি এত পরিমাণ বেড়ে গেছে যে, পৃথিবীতে আমানতদারিতা নেই বললেই চলে।

৬. একটা সময় আসবে যখন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপ্রধানগণ বলতেই পারবে না যে, ইরাক আসলে কোথায় আছে।

(এখানে ভৌগলিকভাবে ইরাকের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়াকে বোঝানো হয়নি। বরং এখানে বোঝানো হয়েছে, একটা সময় আসবে যখন অমানবিক জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ইরাকের অধিবাসীরা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেবে (যার প্রমাণ আমাদের কাছে স্পষ্ট। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি, ইরাকের অধিবাসীরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অন্যান্য দেশে রিফিউজি হিসেবে বসবাস করছে), ফলে ইরাক কার্যত জনশুন্য হয়ে পড়বে। অথচ বিশ্ব মোড়লরা ইরাকের উপর করা এই আক্রমণ ও জুলুম-নির্যাতনের ব্যাপারে একেবারে চুপ থাকবে; কেমন যেনো তারা জানেই না বা বেমালুম ভুলে গেছে যে, ইরাক নামে আদৌ কোনো ভুখণ্ড ছিলো অথবা আছে।)

৭. চতুর্দিক থেকে ইসলামের ওপর এত পরিমাণ হামলা আসবে, যেভাবে নেকড়ের দল শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

৮. লোকেরা ব্যাপকভাবে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে; তবে তারা স্বীকার করবে, এটি একটি গর্হিত কাজ।

৯. লোকেরা কাজকর্মে হালাল-হারামের তোয়াক্কা করবে না। সুদের চর্চা সমাজে অধিক পরিমাণে ব্যাপৃত হবে।

১০. লোকেরা ষাঁড়ের লেজের ন্যায় এক ধরনের চাবুক (লাঠি) ব্যবহার করবে; এবং তা দ্বারা একে অপরকে প্রহার করবে।

যেহেতু কেয়ামত অত্যাসন্ন, তাই প্রত্যেকেরই উচিত সর্বদা সৎকর্ম সম্পাদন করার মাধ্যমে কেয়ামতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

ইসলামবিষয়ক ওয়েবসাইট দি ইসলামিক ইনফরমেশন থেকে অনূদিত

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী

কেয়ামতের যে ১০ আলামত ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে

আপডেট সময় ১০:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর বয়স যত বাড়ছে, আমরা ততোই কেয়ামতের নিকটবর্তী হচ্ছি। রাসুলুল্লাহ (সা.) তার হাদিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে কিয়ামতের অনেক নিদর্শনের বর্ণনা দিয়েছেন।

তন্মধ্যে বেশ কিছু নিদর্শন ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়ে গেছে বলে অনেক স্কলার বলছেন। এর দ্বারা এটিই প্রতিভাত হচ্ছে যে, কেয়ামত অতিনিকটে চলে এসেছে।

দিন যতই সামনের দিকে এগোচ্ছে, নবীজির (সা.) বলে যাওয়া নিদর্শনগুলো ততই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এখানে তার বলে যাওয়া এমন ১০টি নিদর্শন তুলে ধরা হলো—

১. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার পরে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম ইরাকে ফিতনা সৃষ্টি হবে। নবীজির (সা.) এ ভবিষ্যদ্বাণী আজ সত্যে পরিণত হয়েছে।

২. নবীজি (সা.) বলেন, তাবুকের যে স্থানটিতে কূপ রয়েছে, সেটি কিয়ামতের আগে ফুলে-ফলে ভরে উঠবে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাবুকের ওই স্থানটি রীতিমতো বাগানে পরিণত হয়েছে।

৩. তিনি আরও বলেন, লোকেরা এত পরিমাণ সম্পদশালী হয়ে উঠবে যে, কেউই জাকাত গ্রহণ করতে চাইবে না। আজ এর সত্যতা আমাদের কাছে স্পষ্ট।

৪. অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, তীব্র ঠাণ্ডা ও দাবদাহসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাপক হারে দেখা দেবে; এতে করে মাঠঘাট ফসলহীন হয়ে পড়বে। আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের উৎপাদন কী পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

৫. আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্য থেকে যখন আমানতদারিতা উঠে যাবে, তখন তোমরা কিয়ামতের অপেক্ষায় থাকো। এর অর্থ হলো— সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে আমানতদারিতা দূর হয়ে যাবে। আর বর্তমানে ধোঁকাবাজি, প্রতারণা ও চুরি-চামারি এত পরিমাণ বেড়ে গেছে যে, পৃথিবীতে আমানতদারিতা নেই বললেই চলে।

৬. একটা সময় আসবে যখন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপ্রধানগণ বলতেই পারবে না যে, ইরাক আসলে কোথায় আছে।

(এখানে ভৌগলিকভাবে ইরাকের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়াকে বোঝানো হয়নি। বরং এখানে বোঝানো হয়েছে, একটা সময় আসবে যখন অমানবিক জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ইরাকের অধিবাসীরা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেবে (যার প্রমাণ আমাদের কাছে স্পষ্ট। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি, ইরাকের অধিবাসীরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অন্যান্য দেশে রিফিউজি হিসেবে বসবাস করছে), ফলে ইরাক কার্যত জনশুন্য হয়ে পড়বে। অথচ বিশ্ব মোড়লরা ইরাকের উপর করা এই আক্রমণ ও জুলুম-নির্যাতনের ব্যাপারে একেবারে চুপ থাকবে; কেমন যেনো তারা জানেই না বা বেমালুম ভুলে গেছে যে, ইরাক নামে আদৌ কোনো ভুখণ্ড ছিলো অথবা আছে।)

৭. চতুর্দিক থেকে ইসলামের ওপর এত পরিমাণ হামলা আসবে, যেভাবে নেকড়ের দল শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

৮. লোকেরা ব্যাপকভাবে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে; তবে তারা স্বীকার করবে, এটি একটি গর্হিত কাজ।

৯. লোকেরা কাজকর্মে হালাল-হারামের তোয়াক্কা করবে না। সুদের চর্চা সমাজে অধিক পরিমাণে ব্যাপৃত হবে।

১০. লোকেরা ষাঁড়ের লেজের ন্যায় এক ধরনের চাবুক (লাঠি) ব্যবহার করবে; এবং তা দ্বারা একে অপরকে প্রহার করবে।

যেহেতু কেয়ামত অত্যাসন্ন, তাই প্রত্যেকেরই উচিত সর্বদা সৎকর্ম সম্পাদন করার মাধ্যমে কেয়ামতের প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

ইসলামবিষয়ক ওয়েবসাইট দি ইসলামিক ইনফরমেশন থেকে অনূদিত