ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ

পটিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত হয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন আবদুল মাবুদ (৪৫)। তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নানের ছোট ভাই। আবদুল মাবুদের বাবার নাম আবদুস সোবহান।

এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন-আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান ও সারওয়ার কামালের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

কেন্দ্র দখল নিয়ে রোববার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভোটকেন্দ্রের পাশে একটি দোকানে আগুন দেওয়ার ঘটে। পরে পুলিশ দুই প্রার্থীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর কেন্দ্রে র‍্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত হন- আবদুল মাবুদ, আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল কেন্দ্রের বাইরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সংঘর্ষের সময় আবদুল মাবুদ ছুরিকাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

আহত কাসেম ও আনসার আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, পটিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। এখনও লাশ মর্গে আসেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অনড় ট্রাম্প, বললেন পিছু হটার সুযোগ নেই

পটিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত

আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত হয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন আবদুল মাবুদ (৪৫)। তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নানের ছোট ভাই। আবদুল মাবুদের বাবার নাম আবদুস সোবহান।

এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন-আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান ও সারওয়ার কামালের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

কেন্দ্র দখল নিয়ে রোববার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভোটকেন্দ্রের পাশে একটি দোকানে আগুন দেওয়ার ঘটে। পরে পুলিশ দুই প্রার্থীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর কেন্দ্রে র‍্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত হন- আবদুল মাবুদ, আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল কেন্দ্রের বাইরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সংঘর্ষের সময় আবদুল মাবুদ ছুরিকাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

আহত কাসেম ও আনসার আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, পটিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। এখনও লাশ মর্গে আসেনি।