ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ এক দফার ঘোষণা করেছিল: রাশেদ খান কামরাঙ্গীরচরে কারখানায় আগুন এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭’র সমর্থন পুনর্ব্যক্ত দেশকে গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : এমপি খোকন হরমুজ প্রণালি সংকটে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী রাজধানীতে পুলিশ কনস্টেবলের ‌‘আত্মহত্যা’ দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই, কখনও সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল

শাহবাগে ছিনতাইয়ের আড়াই লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর শাহবাগে টিএন্ডটি এক্সচেঞ্জ এলাকায় পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি, দুটি চাকু, একটি এন্টিকাটার, একটি হাতুড়ি ও ছিনিয়ে নেওয়া দুই লাখ ৫০ হাজার টকা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, গত ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ধারাবাহিক অভিযানে ঢাকা ও আশপাশ জেলা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মাজহারুল ইসলাম ওরফে রাকিব, মো. জহিরুল তালুকদার, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে খোকা, মো. সেলিম ওরফে ল্যাংরা সেলিম, মো. লালন এবং মো. সেলিম মিয়া।

হাফিজ আক্তার বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম রাজধানীর তাঁতিবাজার রোমানের অফিস থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা করার উদ্দেশ্যে রিকশায় করে রওনা হন। আনুমানিক বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে শাহবাগ থানার টিএন্ডটি এক্সচেঞ্জের পূর্বপাশে রাস্তার উপর টেম্পুস্ট্যান্ডে আসার পর অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন রিকশার গতিরোধ করে তাকে ঘিরে ধরে।

এরপর কয়েকজন শহিদুলকে উপর্যুপরি কিল, ঘুষি, থাপ্পড় ও চাকু দিয়ে তার ডান চোখের নিচে গুরুতর আঘাত করে তার কাছে থাকা ৩৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় ৮ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই ডিবির রমনা টিম অভিযান শুরু করে ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে। এতে কারা জড়িত, কে খবর দিয়েছে সবই ডিবির নজরে আছে। অতি শিগগিরই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ছিনতাইয়ের বাকি টাকাগুলো ছিনতাই চক্রের অন্য সদস্যরা ভাগ করে নিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হলেই বাকি টাকাও উদ্ধার করা হবে।

এই চক্রের মোট কতজন সদস্য ছিল সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, চক্রটি বেশ বড়ো। তদন্তের স্বার্থে তারা কতজন এখন তা বলতে চাচ্ছি না।

গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপরও ছিনতাই কমছে না। এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, ছিনতাই কমেছে কি না তা জনগণ বিচার করবে। বিশেষ অভিযানের পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় শতাধিক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। ছিনতাই এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের অভিযানের কারণে অনেক ছিনতাইকারী ঢাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

আমাদের মূল কাজই হলো মানুষকে নিরাপত্তা ও সেবা দেওয়া। আর এই নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই আমাদের এই অভিযান। আমরা থানা পুলিশ, ডিবি, ক্রাইম ডিভিশন ও র‌্যাবসহ সবাই মিলে ঢাকার ২ কোটি বাসিন্দার নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছি বলে জানান ডিবির এই কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই কোনো একক দেশের ‘একক পারফরম্যান্স’ হওয়া উচিত নয়: চীনা প্রেসিডেন্ট

শাহবাগে ছিনতাইয়ের আড়াই লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

আপডেট সময় ০২:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাজধানীর শাহবাগে টিএন্ডটি এক্সচেঞ্জ এলাকায় পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি, দুটি চাকু, একটি এন্টিকাটার, একটি হাতুড়ি ও ছিনিয়ে নেওয়া দুই লাখ ৫০ হাজার টকা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, গত ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ধারাবাহিক অভিযানে ঢাকা ও আশপাশ জেলা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মাজহারুল ইসলাম ওরফে রাকিব, মো. জহিরুল তালুকদার, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে খোকা, মো. সেলিম ওরফে ল্যাংরা সেলিম, মো. লালন এবং মো. সেলিম মিয়া।

হাফিজ আক্তার বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম রাজধানীর তাঁতিবাজার রোমানের অফিস থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা করার উদ্দেশ্যে রিকশায় করে রওনা হন। আনুমানিক বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে শাহবাগ থানার টিএন্ডটি এক্সচেঞ্জের পূর্বপাশে রাস্তার উপর টেম্পুস্ট্যান্ডে আসার পর অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন রিকশার গতিরোধ করে তাকে ঘিরে ধরে।

এরপর কয়েকজন শহিদুলকে উপর্যুপরি কিল, ঘুষি, থাপ্পড় ও চাকু দিয়ে তার ডান চোখের নিচে গুরুতর আঘাত করে তার কাছে থাকা ৩৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় ৮ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই ডিবির রমনা টিম অভিযান শুরু করে ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে। এতে কারা জড়িত, কে খবর দিয়েছে সবই ডিবির নজরে আছে। অতি শিগগিরই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ছিনতাইয়ের বাকি টাকাগুলো ছিনতাই চক্রের অন্য সদস্যরা ভাগ করে নিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হলেই বাকি টাকাও উদ্ধার করা হবে।

এই চক্রের মোট কতজন সদস্য ছিল সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, চক্রটি বেশ বড়ো। তদন্তের স্বার্থে তারা কতজন এখন তা বলতে চাচ্ছি না।

গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপরও ছিনতাই কমছে না। এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, ছিনতাই কমেছে কি না তা জনগণ বিচার করবে। বিশেষ অভিযানের পর থেকে এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় শতাধিক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। ছিনতাই এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের অভিযানের কারণে অনেক ছিনতাইকারী ঢাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

আমাদের মূল কাজই হলো মানুষকে নিরাপত্তা ও সেবা দেওয়া। আর এই নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই আমাদের এই অভিযান। আমরা থানা পুলিশ, ডিবি, ক্রাইম ডিভিশন ও র‌্যাবসহ সবাই মিলে ঢাকার ২ কোটি বাসিন্দার নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছি বলে জানান ডিবির এই কর্মকর্তা।