ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

হারামাইনে এসেছেন ৭ লাখ মানুষ, করোনার রেকর্ড নেই: সৌদি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ খুলে দেয়ার পর লাখ লাখ মানুষ হজ, ওমরাহ পালন করেছেন। হাজার হাজার মানুষ সেখানে ইবাদতের জন্য সফর করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ সেখান থেকে কারো করোনা শনাক্ত হওয়ার রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

দুই পবিত্র মসজিদ বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান শেখ আবদুল্লরহমান আল-সুদাইস বলেছেন, স্বাস্থ্য সঙ্কট বিবেচনা করে কঠোর পদক্ষেপের কারণেই এমনটি সম্ভব হয়েছে।

মহামারিকালীন সময়ে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এবং মদিনায় মসজিদে নববি পরিচালনায় সৌদির সফল প্রচেষ্টা সম্পর্কে এক সেমিনারে এসব কথা বলেন শেখ আবদুল্লরহমান আল-সুদাইস। অধিবেশনটি হজ, ওমরাহ এবং পরিদর্শন গবেষণার জন্য বিশতম বৈজ্ঞানিক ফোরামের অংশ ছিল। খবর আরব নিউজের

আল-সুদাইস মসজিদসমূহে, ইসলামের পবিত্রতম জায়গাগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য প্রদত্ত পরিষেবা, নির্দেশনা, বৈজ্ঞানিক, তথ্যমূলক, প্রযুক্তিগত, সামাজিক এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টা উন্নত করার বিষয়টিকে জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ সতর্কতাব্যবস্থা গ্রহণের কারণে দুই পবিত্র মসজিদ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর জায়গায় পরিণত হয়েছে। এটি বজায় রাখতে তিনি সবাইকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ অবলম্বন ও গুজব উপেক্ষা করার পরামর্শ দেন।

একই অধিবেশনে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বেন্তেন বলেন যে, সরকারি ও বেসরকারি এজেন্সিগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য সৌদি আরব মহামারি ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে। তারা সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্যকে ইসলামের সেবায় পরিচালিত করেছে।

মহামারির মধ্যে গত কয়েক মাস আগে দুই মসজিদ সাধারণের জন্য সীমিত আকারে খুলে দেয়ার পর এক লাখের বেশি মুসলিম মদিনায় মসজিদে নববিতে এবং ৬ লাখের বেশি মানুষ মক্কার কাবা শরীফ সফর করেছেন। তবে এসব মানুষের কারো মধ্যেই করোনা শনাক্ত হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

হারামাইনে এসেছেন ৭ লাখ মানুষ, করোনার রেকর্ড নেই: সৌদি

আপডেট সময় ১২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ খুলে দেয়ার পর লাখ লাখ মানুষ হজ, ওমরাহ পালন করেছেন। হাজার হাজার মানুষ সেখানে ইবাদতের জন্য সফর করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ সেখান থেকে কারো করোনা শনাক্ত হওয়ার রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

দুই পবিত্র মসজিদ বিষয়ক জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান শেখ আবদুল্লরহমান আল-সুদাইস বলেছেন, স্বাস্থ্য সঙ্কট বিবেচনা করে কঠোর পদক্ষেপের কারণেই এমনটি সম্ভব হয়েছে।

মহামারিকালীন সময়ে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এবং মদিনায় মসজিদে নববি পরিচালনায় সৌদির সফল প্রচেষ্টা সম্পর্কে এক সেমিনারে এসব কথা বলেন শেখ আবদুল্লরহমান আল-সুদাইস। অধিবেশনটি হজ, ওমরাহ এবং পরিদর্শন গবেষণার জন্য বিশতম বৈজ্ঞানিক ফোরামের অংশ ছিল। খবর আরব নিউজের

আল-সুদাইস মসজিদসমূহে, ইসলামের পবিত্রতম জায়গাগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য প্রদত্ত পরিষেবা, নির্দেশনা, বৈজ্ঞানিক, তথ্যমূলক, প্রযুক্তিগত, সামাজিক এবং স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টা উন্নত করার বিষয়টিকে জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ সতর্কতাব্যবস্থা গ্রহণের কারণে দুই পবিত্র মসজিদ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর জায়গায় পরিণত হয়েছে। এটি বজায় রাখতে তিনি সবাইকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ অবলম্বন ও গুজব উপেক্ষা করার পরামর্শ দেন।

একই অধিবেশনে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বেন্তেন বলেন যে, সরকারি ও বেসরকারি এজেন্সিগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য সৌদি আরব মহামারি ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে। তারা সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্যকে ইসলামের সেবায় পরিচালিত করেছে।

মহামারির মধ্যে গত কয়েক মাস আগে দুই মসজিদ সাধারণের জন্য সীমিত আকারে খুলে দেয়ার পর এক লাখের বেশি মুসলিম মদিনায় মসজিদে নববিতে এবং ৬ লাখের বেশি মানুষ মক্কার কাবা শরীফ সফর করেছেন। তবে এসব মানুষের কারো মধ্যেই করোনা শনাক্ত হয়নি।