ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে মানতে হবে যে ৪ ধাপ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে চার ধাপ মানার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়ে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে তারা।

ওই গাইডলাইন অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিকল্পনা করা হয়েছে প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার। আবার খোলার বাজেট তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পাওয়া মাত্র শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার গাইডলাইনে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। তিন ফুট দূরত্বে ক্লাসরুমের বেঞ্চগুলোকে স্থাপন করতে বলা হয়েছে। পাঁচ ফুটের কম দৈর্ঘ্যের একজন শিক্ষার্থী এবং পাঁচ থেকে সাত ফুট দৈর্ঘ্যের বেঞ্চে দুজন শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাইডলাইন অনুসারে ক্লাস করতে পারবে। স্কুলে ঢোকার আগেই থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা পরীক্ষা করার কথাও বলা হয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পাঁচ ফুটের কম দৈর্ঘ্যের একটি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসতে পারবে। আর বেঞ্চের দৈর্ঘ্য যদি পাঁচ থেকে সাত ফুট হয় তবে প্রতি বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুজন করে শিক্ষার্থী বসতে পারবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর কয়েকটি ধাপ :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য কয়েকটি ধাপের কথা বলেছে মাউশি। এই নির্দেশিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য যে ধাপগুলো বিবেচনা করা হয়েছে, তা হলো-

১. নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা করা।

২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদে চালু করা।

৪. শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালে করোনার বিস্তাররোধে পদক্ষেপ নেওয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে মানতে হবে যে ৪ ধাপ

আপডেট সময় ০৭:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে চার ধাপ মানার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়ে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে তারা।

ওই গাইডলাইন অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিকল্পনা করা হয়েছে প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার। আবার খোলার বাজেট তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পাওয়া মাত্র শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার গাইডলাইনে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। তিন ফুট দূরত্বে ক্লাসরুমের বেঞ্চগুলোকে স্থাপন করতে বলা হয়েছে। পাঁচ ফুটের কম দৈর্ঘ্যের একজন শিক্ষার্থী এবং পাঁচ থেকে সাত ফুট দৈর্ঘ্যের বেঞ্চে দুজন শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাইডলাইন অনুসারে ক্লাস করতে পারবে। স্কুলে ঢোকার আগেই থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা পরীক্ষা করার কথাও বলা হয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পাঁচ ফুটের কম দৈর্ঘ্যের একটি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসতে পারবে। আর বেঞ্চের দৈর্ঘ্য যদি পাঁচ থেকে সাত ফুট হয় তবে প্রতি বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুজন করে শিক্ষার্থী বসতে পারবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর কয়েকটি ধাপ :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য কয়েকটি ধাপের কথা বলেছে মাউশি। এই নির্দেশিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য যে ধাপগুলো বিবেচনা করা হয়েছে, তা হলো-

১. নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা করা।

২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদে চালু করা।

৪. শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালে করোনার বিস্তাররোধে পদক্ষেপ নেওয়া।