ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গড় মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যে

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরে (২০১৬-১৭) গড় মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যে। বাজেট ও আগাম বন্যা হওয়ায় এই মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন তিনি। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে গড় সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা তার আগের অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। সে তুলনায় গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী গত অর্থবছর খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। সে তুলনায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

অন্যদিকে একই সময় খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ হিসেবে গত অর্থবছরে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কমেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা তার আগের তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) ছিল ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ হিসেবে গত তিন মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

এর কারণ হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, আগাম বন্যার ফলে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় এমন হয়েছে। তাছাড়া এ সময় বাজেট থাকায়ও তা মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, শহর এলাকায় গত তিন মাসে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা তার আগের তিন মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকায় গত তিন মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং তার আগের তিন মাসে ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

গড় মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যে

আপডেট সময় ০১:১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরে (২০১৬-১৭) গড় মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যে। বাজেট ও আগাম বন্যা হওয়ায় এই মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন তিনি। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে গড় সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা তার আগের অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। সে তুলনায় গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী গত অর্থবছর খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। সে তুলনায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

অন্যদিকে একই সময় খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ হিসেবে গত অর্থবছরে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কমেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা তার আগের তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) ছিল ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ হিসেবে গত তিন মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

এর কারণ হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, আগাম বন্যার ফলে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় এমন হয়েছে। তাছাড়া এ সময় বাজেট থাকায়ও তা মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, শহর এলাকায় গত তিন মাসে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা তার আগের তিন মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকায় গত তিন মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং তার আগের তিন মাসে ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।