ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে পদত্যাগ করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মকর্তা। খবর পলিটিকো ও নিউইয়র্ক পোস্টের।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবিক্ষোভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবিরোধ তীব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন।

এনবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের জন্য পথ সহজ করে দেন। তবে এসপারের বিষয়ে জল্পনা ছিল যে, নির্বাচনের পর ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করবেন। সে ক্ষেত্রে এসপার আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রশাসনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। ট্রাম্পের আমলে যত মন্ত্রী ও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বহিষ্কার অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, আমেরিকার ইতিহাসে তা নজিরবিহীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে পদত্যাগ করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মকর্তা। খবর পলিটিকো ও নিউইয়র্ক পোস্টের।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবিক্ষোভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবিরোধ তীব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন।

এনবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের জন্য পথ সহজ করে দেন। তবে এসপারের বিষয়ে জল্পনা ছিল যে, নির্বাচনের পর ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করবেন। সে ক্ষেত্রে এসপার আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রশাসনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। ট্রাম্পের আমলে যত মন্ত্রী ও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বহিষ্কার অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, আমেরিকার ইতিহাসে তা নজিরবিহীন।