ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে পদত্যাগ করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মকর্তা। খবর পলিটিকো ও নিউইয়র্ক পোস্টের।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবিক্ষোভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবিরোধ তীব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন।

এনবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের জন্য পথ সহজ করে দেন। তবে এসপারের বিষয়ে জল্পনা ছিল যে, নির্বাচনের পর ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করবেন। সে ক্ষেত্রে এসপার আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রশাসনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। ট্রাম্পের আমলে যত মন্ত্রী ও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বহিষ্কার অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, আমেরিকার ইতিহাসে তা নজিরবিহীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে পদত্যাগ করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার। নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এ কর্মকর্তা। খবর পলিটিকো ও নিউইয়র্ক পোস্টের।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার পাশাপাশি মার্ক এসপারের পুনঃনিয়োগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এসপারকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা কম। বাইডেন জয়ী হলে এসপারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে গণবিক্ষোভ দমন নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতবিরোধ তীব্র হয়। যেটি পরে আর প্রশমিত হয়নি। এ কারণে এসপার আজকালের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র লিখে ফেলেছেন।

এনবিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার সদস্যরা পদত্যাগ করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের জন্য পথ সহজ করে দেন। তবে এসপারের বিষয়ে জল্পনা ছিল যে, নির্বাচনের পর ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করবেন। সে ক্ষেত্রে এসপার আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগের মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রশাসনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন কিংবা তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। ট্রাম্পের আমলে যত মন্ত্রী ও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বহিষ্কার অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে, আমেরিকার ইতিহাসে তা নজিরবিহীন।