ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মায়ের মরদেহের পাশে নিশ্চুপ দাঁড়িয়েছিল শিশুটি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ব্যস্ত রাস্তার পাশে পড়ে থাকা মায়ের মুখটা আকাশমুখী। মাকে দেখার জন্য ভিড় করেছে অচেনা মানুষগুলো।

তিন বছরের তন্বী তখনও বুঝে উঠতে পারছিল না, কী হয়েছে তার মায়ের। নির্বাক দাঁড়িয়েছিল নিষ্প্রাণ দেহের হাত ধরে, আর ফ্যালফ্যালিয়ে তাকাচ্ছিল প্রত্যক্ষদর্শীদের মুখপানে।

শিশুটি কী বুঝতে পেরেছে এ ধরাতে তার সবচেয়ে আপনজন আর নেই? চলে গেছেন চিরতরে পরপারে? না বুঝলেই বা কী হবে — এ যেন চরম বাস্তবতা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের শুঁটকি ব্রিজের কাছে জোনাকী আক্তার (২২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন তিন বছর বয়সী মেয়ে তন্বী পড়ে থাকা মায়ের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিল। এরপর পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আড়াইশ’ শয্যার আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। একইসঙ্গে মেয়েটিকেও নিয়ে যায় থানায়।

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরান হোসেন জানিয়েছেন, ছোট্ট শিশু তন্বী কথা বলতে পারছিল না। মায়ের মরদেহের পাশেই দাঁড়িয়েছিল। তিনি নিজের গাড়িতে করেই মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যান। সেখানে একটি আপেল খেতে দেন। খবর পেয়ে তন্বীর নানী থানায় আসেন। এখন সে নানীর সঙ্গেই রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গৃহবধূ জোনাকী বানিয়াচং উপজেলার রঘু চৌধুরীপাড়ার অপু মিয়ার স্ত্রী ও আবু মিয়ার মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের মা। প্রায় এক মাস আগে তন্বীকে সঙ্গে নিয়ে স্বামী এবং অপর সন্তানকে ফেলে অনিক নামে এক ছেলের সঙ্গে নেত্রকোনা চলে যান।

শনিবার অনিক হবিগঞ্জ থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে জোনাকীর মরদেহ নিয়ে বানিয়াচং যাচ্ছিলেন। পথে শুঁটকি ব্রিজ এলাকায় অটোরিকশা থামালে স্থানীয়রা গাড়িতে মরদেহ দেখে তাকে তাড়া করেন। তিনি হাওর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে তাকে থানা হেফাজতে নেয়। তিনি বানিয়াচং উপজেলার কাষ্টগর গ্রামের নিহাল পাণ্ডের ছেলে

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

মায়ের মরদেহের পাশে নিশ্চুপ দাঁড়িয়েছিল শিশুটি

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ব্যস্ত রাস্তার পাশে পড়ে থাকা মায়ের মুখটা আকাশমুখী। মাকে দেখার জন্য ভিড় করেছে অচেনা মানুষগুলো।

তিন বছরের তন্বী তখনও বুঝে উঠতে পারছিল না, কী হয়েছে তার মায়ের। নির্বাক দাঁড়িয়েছিল নিষ্প্রাণ দেহের হাত ধরে, আর ফ্যালফ্যালিয়ে তাকাচ্ছিল প্রত্যক্ষদর্শীদের মুখপানে।

শিশুটি কী বুঝতে পেরেছে এ ধরাতে তার সবচেয়ে আপনজন আর নেই? চলে গেছেন চিরতরে পরপারে? না বুঝলেই বা কী হবে — এ যেন চরম বাস্তবতা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের শুঁটকি ব্রিজের কাছে জোনাকী আক্তার (২২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন তিন বছর বয়সী মেয়ে তন্বী পড়ে থাকা মায়ের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিল। এরপর পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আড়াইশ’ শয্যার আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। একইসঙ্গে মেয়েটিকেও নিয়ে যায় থানায়।

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরান হোসেন জানিয়েছেন, ছোট্ট শিশু তন্বী কথা বলতে পারছিল না। মায়ের মরদেহের পাশেই দাঁড়িয়েছিল। তিনি নিজের গাড়িতে করেই মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যান। সেখানে একটি আপেল খেতে দেন। খবর পেয়ে তন্বীর নানী থানায় আসেন। এখন সে নানীর সঙ্গেই রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গৃহবধূ জোনাকী বানিয়াচং উপজেলার রঘু চৌধুরীপাড়ার অপু মিয়ার স্ত্রী ও আবু মিয়ার মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের মা। প্রায় এক মাস আগে তন্বীকে সঙ্গে নিয়ে স্বামী এবং অপর সন্তানকে ফেলে অনিক নামে এক ছেলের সঙ্গে নেত্রকোনা চলে যান।

শনিবার অনিক হবিগঞ্জ থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে জোনাকীর মরদেহ নিয়ে বানিয়াচং যাচ্ছিলেন। পথে শুঁটকি ব্রিজ এলাকায় অটোরিকশা থামালে স্থানীয়রা গাড়িতে মরদেহ দেখে তাকে তাড়া করেন। তিনি হাওর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে তাকে থানা হেফাজতে নেয়। তিনি বানিয়াচং উপজেলার কাষ্টগর গ্রামের নিহাল পাণ্ডের ছেলে