ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসরায়েলের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারিত্ব চুক্তি স্থগিত চায় তিন দেশ ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, সংসদে রুমিন ফারহানা মার্কিন অবরোধ ভেঙে দক্ষিণের বন্দরে ইরানি জাহাজ দেড় মাসের শিশুকে নিয়েই কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সিন্ডিকেটের কাছে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী এপ্রিলের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২২২ কোটি ডলার কলেজছাত্র ইকবাল হত্যাকাণ্ডে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুই নারীর কারাদণ্ড কুষ্টিয়ায় সশস্ত্র হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার করতে না পারে সেটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা: জামায়াত আমির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি তাদের চরম ব্যর্থতা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল দাবি করে তিনি বলেন, সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, পিলখানায় যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

এর আগে সকাল ১০টায় পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী ও তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন সেদিন।

নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই বিদ্রোহকে অন্যতম নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইসরায়েলের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশীদারিত্ব চুক্তি স্থগিত চায় তিন দেশ

বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার করতে না পারে সেটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৪:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি তাদের চরম ব্যর্থতা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল দাবি করে তিনি বলেন, সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, পিলখানায় যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

এর আগে সকাল ১০টায় পিলখানা ট্র্যাজেডির শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী ও তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে। এ ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন সেদিন।

নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই বিদ্রোহকে অন্যতম নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।