অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মিরপুরের দারুস সালাম এলাকার ‘জঙ্গি আস্তানা’য় আজ তৃতীয় দিনের মতো তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ভবনে প্রবেশ করে তল্লাশি শুরু করে।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাসার প্রতিটি ফ্ল্যাট ধরে ধরেই তল্লাশি চালানো হবে। সেখানে প্রচুর রাসায়নিক জড়ো করেছিল জঙ্গিরা।
এ দিকে গতকাল রাতের পর থেকেই ওই ভবনের আশপাশের গলিগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খোলে দেওয়া হয়। অভিযান শুরুর পর আশপাশের বাড়ি থেকে যাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আবার বাসায় ঢুকতে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদি আরো জানান, কাল বিকেলেই সাতটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ এগুলোর ময়নাতদন্ত হতে পারে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার মসন্দি এলাকার একটি বাড়ি থেকে গত সোমবার রাতে জঙ্গি সন্দেহে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ‘ফলোআপ’ হিসেবে মিরপুরে এ অভিযান চালায় র্যাব। যে বাড়িটিতে অভিযান চালায় এর নম্বর ২/৩/বি। মালিক টিঅ্যান্ডটির কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। বাড়িটির নাম ‘কমলপ্রভা’।
গত মঙ্গলবার দিনভর আবদুল্লাহকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়। দুপুরে ‘জঙ্গি’ আবদুল্লাহর বোন মেহেরুন্নেসা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে র্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে র্যাব। এ সময় ওই বাড়ির ২৩টি ফ্ল্যাট থেকে ৬৫ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহ আত্মসমর্পণে রাজিও হয়।
পরে রাতে র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কর্মকর্তা মুফতি মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, ‘জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ না করে নিজেরাই ওই ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে চার র্যাব সদস্য আহত হন।’ বুধবার দুপুরে ওই ভবনের একটি কক্ষ থেকে তিনজনের পোড়া দেহ উদ্ধারের তথ্য দেওয়া হয় র্যাবের পক্ষ থেকে। পরে বিকেলে র্যাবপ্রধান জানান, বাড়ি থেকে সাতটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























