ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘সরকার পতনের’ আওয়াজ পাচ্ছেন রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বর্তমান সরকার আর বেশি দিন নেই এমন দাবি করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমি বারবার বলছি এই সরকার আর বেশি দিন নেই, চারদিক থেকে কেন জানি সরকার পতনের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।’

শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ইতিহাস বিকৃত করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাটক বানানোর প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রিজভী বলেন, ‘আজকে যুবলীগ-ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের নেতারা নারীর সম্ভ্রমহানিকে শিল্পে পরিণত করেছে, এগুলোকে তারা শিল্প মনে করছে। শেখ হাসিনা মুখ রক্ষা করবেন কীভাবে? চারদিকে রক্তপাত ঘটিয়ে লাশের পর লাশ সাজিয়ে আপনি ক্ষমতায় থাকবেন?’

রিজভী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন উন্নয়নের কথা বলেন তখন মানুষ বলে এটা উন্নয়ন না এগুলো একটা নাটক। প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো ঘটনায় ইনস্ট্যান্ট কান্নাকাটি করেন তখন মানুষ মনে করে এই কান্না হচ্ছে একটা নাটক। প্রধানমন্ত্রী যখন একটা প্রতিশ্রুতি দেন জনগণ মনে করে এটি একটি নাটক। অর্থাৎ নাটক মানেই হচ্ছে বানানো একটি ঘটনা।’

বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, যা করেন, যা প্রতিশ্রুতি দেন সেটা মানুষ নাটক বলেই মনে করে। এই সরকারের সামান্য কিছু হালুয়া-রুটির ভাগ পাওয়ার জন্য যারা এ দেশের বরেণ্য সন্তান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এক বিশাল, বীর তার বিরুদ্ধে যখন কলঙ্ক লেপন করে সেটা আবার কোন বড় নাট্যকার নয় সেটা আবার একজন বটতলার, মানুষ বলে না বটতলার উপন্যাসিক যাদের কোন জায়গা নেই কিছু টাকা দিলে পারে তারা এই সমস্ত উপন্যাস বা নাটক লেখেন।’

ইতিহাসের পটভূমি তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন, কোথায় তার স্ত্রী কোথায় তার সন্তান তাদের কথা চিন্তা না করে। কত বড় দেশপ্রেমিক হলে, কত বড় দেশপ্রেমের আগুন তার হৃদয়ের মধ্যে জ্বলে উঠলে সমস্ত কিছু স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধু দেশের কথা চিন্তা করে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই বীরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে, তার সহধর্মিণী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র যখন বারবার পদদলিত হয় সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেন তিনি।’

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘কিন্তু ওরা জানে না বাংলার মাটি চৈত্র মাসে কঠিন রূপ ধারণ করে। এই মাটি যখন আপনাদের দিকে নিক্ষিপ্ত করবে জনগণ, তখন আপনারা বাংলাদেশের কোনো জায়গায় আশ্রয় পাবেন না। এগুলো মাথায় রেখে অপকর্ম বন্ধ করুন, আপনারা মনে করবেন না বাংলার মাটি চিরদিন কাউকে গ্রহণ করে বিশেষ করে অন্যায়-অবিচার-অত্যাচার যারা করে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

‘সরকার পতনের’ আওয়াজ পাচ্ছেন রিজভী

আপডেট সময় ০৪:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বর্তমান সরকার আর বেশি দিন নেই এমন দাবি করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আমি বারবার বলছি এই সরকার আর বেশি দিন নেই, চারদিক থেকে কেন জানি সরকার পতনের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।’

শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ইতিহাস বিকৃত করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাটক বানানোর প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রিজভী বলেন, ‘আজকে যুবলীগ-ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের নেতারা নারীর সম্ভ্রমহানিকে শিল্পে পরিণত করেছে, এগুলোকে তারা শিল্প মনে করছে। শেখ হাসিনা মুখ রক্ষা করবেন কীভাবে? চারদিকে রক্তপাত ঘটিয়ে লাশের পর লাশ সাজিয়ে আপনি ক্ষমতায় থাকবেন?’

রিজভী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন উন্নয়নের কথা বলেন তখন মানুষ বলে এটা উন্নয়ন না এগুলো একটা নাটক। প্রধানমন্ত্রী যখন কোনো ঘটনায় ইনস্ট্যান্ট কান্নাকাটি করেন তখন মানুষ মনে করে এই কান্না হচ্ছে একটা নাটক। প্রধানমন্ত্রী যখন একটা প্রতিশ্রুতি দেন জনগণ মনে করে এটি একটি নাটক। অর্থাৎ নাটক মানেই হচ্ছে বানানো একটি ঘটনা।’

বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, যা করেন, যা প্রতিশ্রুতি দেন সেটা মানুষ নাটক বলেই মনে করে। এই সরকারের সামান্য কিছু হালুয়া-রুটির ভাগ পাওয়ার জন্য যারা এ দেশের বরেণ্য সন্তান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এক বিশাল, বীর তার বিরুদ্ধে যখন কলঙ্ক লেপন করে সেটা আবার কোন বড় নাট্যকার নয় সেটা আবার একজন বটতলার, মানুষ বলে না বটতলার উপন্যাসিক যাদের কোন জায়গা নেই কিছু টাকা দিলে পারে তারা এই সমস্ত উপন্যাস বা নাটক লেখেন।’

ইতিহাসের পটভূমি তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন, কোথায় তার স্ত্রী কোথায় তার সন্তান তাদের কথা চিন্তা না করে। কত বড় দেশপ্রেমিক হলে, কত বড় দেশপ্রেমের আগুন তার হৃদয়ের মধ্যে জ্বলে উঠলে সমস্ত কিছু স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধু দেশের কথা চিন্তা করে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই বীরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে, তার সহধর্মিণী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র যখন বারবার পদদলিত হয় সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেন তিনি।’

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘কিন্তু ওরা জানে না বাংলার মাটি চৈত্র মাসে কঠিন রূপ ধারণ করে। এই মাটি যখন আপনাদের দিকে নিক্ষিপ্ত করবে জনগণ, তখন আপনারা বাংলাদেশের কোনো জায়গায় আশ্রয় পাবেন না। এগুলো মাথায় রেখে অপকর্ম বন্ধ করুন, আপনারা মনে করবেন না বাংলার মাটি চিরদিন কাউকে গ্রহণ করে বিশেষ করে অন্যায়-অবিচার-অত্যাচার যারা করে।’