ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে: মেজর হাফিজ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমান সরকারের গণভোটের আয়োজন দেশদ্রোহিতা: জি এম কাদের বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ হাদি হত্যার দায় স্বীকার, জবানবন্দি রুবেলের পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতিতে এসেছি: জামায়াত নেত্রী

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত দেখতে চায় না চীন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত দেখতে চায় না চীন বলে জানিয়েছে চীনা। সংঘাতপূর্ণ দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার বেইজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান উভয় পক্ষকে শান্ত ও সংযম হতে আহ্বান জানাচ্ছে চীন।

চীনা গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে তুর্কির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। ওই পত্রিকাটির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়াং বলেন, এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানসহ সব পক্ষের স্বার্থ কাজ করে।

চীনা মুখপাত্র আরো বলেন, আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো আরো উত্তেজনা এড়াতে রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ ও বিভিন্ন মতবাদ সমাধানের ব্যবস্থা করবে।

একসময় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান– উভয় দেশই সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর দেশ দুটি স্বাধীন হয়। তার পর থেকে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত চার দশক ধরে বিরোধে জড়িয়ে আছে দুই প্রতিবেশী।

রোববার বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। এই সংঘাতের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, রোববার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে হামলা চালায় আজারবাইজান। এর জবাবে আর্মেনিয়ার বাহিনী প্রতিপক্ষের দুটি হেলিকপ্টার, তিনটি ড্রোন ভূপাতিত ও তিনটি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে আজারবাইজান বলছে, হামলার শিকার হওয়ার পর তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো লড়াই অব্যাহত রয়েছে। এতে মোট ২৩ জন নিহত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়। তবে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত দেখতে চায় না চীন

আপডেট সময় ১১:৪১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান সংঘাত দেখতে চায় না চীন বলে জানিয়েছে চীনা। সংঘাতপূর্ণ দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার বেইজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান উভয় পক্ষকে শান্ত ও সংযম হতে আহ্বান জানাচ্ছে চীন।

চীনা গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে তুর্কির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। ওই পত্রিকাটির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়াং বলেন, এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানসহ সব পক্ষের স্বার্থ কাজ করে।

চীনা মুখপাত্র আরো বলেন, আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো আরো উত্তেজনা এড়াতে রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ ও বিভিন্ন মতবাদ সমাধানের ব্যবস্থা করবে।

একসময় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান– উভয় দেশই সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর দেশ দুটি স্বাধীন হয়। তার পর থেকে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত চার দশক ধরে বিরোধে জড়িয়ে আছে দুই প্রতিবেশী।

রোববার বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। এই সংঘাতের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, রোববার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে হামলা চালায় আজারবাইজান। এর জবাবে আর্মেনিয়ার বাহিনী প্রতিপক্ষের দুটি হেলিকপ্টার, তিনটি ড্রোন ভূপাতিত ও তিনটি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে আজারবাইজান বলছে, হামলার শিকার হওয়ার পর তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো লড়াই অব্যাহত রয়েছে। এতে মোট ২৩ জন নিহত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়। তবে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।