ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

প্রকল্পে অস্বাভাবিক বাজারমূল্য: অধিকতর সচেতনতার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোনো পণ্য বা দ্রব্যের অস্বাভাবিক বাজারমূল্য যাতে প্রদর্শিত না হয় সেজন্য প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বনসহ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে অস্বাভাবিক পণ্যমূল্যের প্রস্তাব করা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পর মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর বাজেটে বরাদ্দ করা সিলিংয়ের (ব্যয়সীমা) মধ্যে প্রকল্প গ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার (২১ সেপ্টম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর বাজেটে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ‘অননুমোদিত প্রকল্পের জন্য সংরক্ষিত সাধারণত থোক বরাদ্দ’ খাতে এবং প্রক্ষেপণের অর্থবছরে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। ’

‘লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ তাদের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোতে সিলিং বহির্ভূতভাবে প্রকল্প গ্রহণ করছে। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ের সঙ্গে চলমান প্রকল্পের বরাদ্দ সামঞ্জস্যতা থাকছে না। এছাড়া সিলিং বহির্ভূত প্রকল্প গ্রহণ করায় সব প্রকল্পে প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য যে, প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণের বাইরে প্রকল্প গ্রহণ সরকারের সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ’

এমতাবস্থায় মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোকে ছয়টি বিষয়ে সজাগ থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিষয়গুলো:

১. মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোকে তাদের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণের অর্থবছরে বরাদ্দ করা সিলিংয়ের মধ্যে থেকে প্রকল্প গ্রহণ করা।
২. বিনিয়োগ প্রকল্পের ক্ষেত্রে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্পে আবশ্যিকভাবে বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাই করা।
৩. প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করা, যাতে কোনো পণ্য বা দ্রব্যের অস্বাভাবিক বাজারমূল্য প্রদর্শিত না হয়।
৪. জি-টু-জি ভিত্তিতে গৃহীত প্রকল্পে জিওবি (সরকারি বরাদ্দ) অর্থে পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা।
৫. প্রকল্প বাছাই/অনুমোদনের সময় বিষয়গুলোতে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করা।
৬. রাষ্ট্রীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে আগেই অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

প্রকল্পে অস্বাভাবিক বাজারমূল্য: অধিকতর সচেতনতার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৪:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোনো পণ্য বা দ্রব্যের অস্বাভাবিক বাজারমূল্য যাতে প্রদর্শিত না হয় সেজন্য প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বনসহ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে অস্বাভাবিক পণ্যমূল্যের প্রস্তাব করা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পর মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর বাজেটে বরাদ্দ করা সিলিংয়ের (ব্যয়সীমা) মধ্যে প্রকল্প গ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার (২১ সেপ্টম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর বাজেটে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ‘অননুমোদিত প্রকল্পের জন্য সংরক্ষিত সাধারণত থোক বরাদ্দ’ খাতে এবং প্রক্ষেপণের অর্থবছরে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। ’

‘লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ তাদের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোতে সিলিং বহির্ভূতভাবে প্রকল্প গ্রহণ করছে। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ের সঙ্গে চলমান প্রকল্পের বরাদ্দ সামঞ্জস্যতা থাকছে না। এছাড়া সিলিং বহির্ভূত প্রকল্প গ্রহণ করায় সব প্রকল্পে প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য যে, প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণের বাইরে প্রকল্প গ্রহণ সরকারের সুষ্ঠু আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ’

এমতাবস্থায় মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোকে ছয়টি বিষয়ে সজাগ থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিষয়গুলো:

১. মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোকে তাদের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণের অর্থবছরে বরাদ্দ করা সিলিংয়ের মধ্যে থেকে প্রকল্প গ্রহণ করা।
২. বিনিয়োগ প্রকল্পের ক্ষেত্রে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে প্রকল্পে আবশ্যিকভাবে বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাই করা।
৩. প্রকল্প যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করা, যাতে কোনো পণ্য বা দ্রব্যের অস্বাভাবিক বাজারমূল্য প্রদর্শিত না হয়।
৪. জি-টু-জি ভিত্তিতে গৃহীত প্রকল্পে জিওবি (সরকারি বরাদ্দ) অর্থে পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা।
৫. প্রকল্প বাছাই/অনুমোদনের সময় বিষয়গুলোতে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করা।
৬. রাষ্ট্রীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে আগেই অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ করা।