ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ ‘নকলের’ সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর বন্যা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন গোয়াইনঘাট সীমান্তে ‘ভারতীয় খাসিয়াদের’ গুলিতে যুবক নিহত দেশের একটা বালুর ওপরও কাউকে কর্তৃত্ব করতে দেব না: শফিকুর রহমান ‘একটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে’ বিএনপি সরকার কোনো সময় হারিয়ে যায় না: তথ্যমন্ত্রী সাবেক ডিসি সারওয়ারকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে চিঠি অতীতের সরকার ভোট চুরি করত, এই সরকার ফল চুরি করেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : ডিএনসিসি প্রশাসক

দেশে চীনের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সেপ্টেম্বরেই শুরু হবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে চীনের সিনোভেক কোম্পানির করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ট্রায়াল এ মাসের মধ্যেই শুরু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পোলিও বিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. কে জামান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলানিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

চীনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) হিসেবে কাজ করছে আইসিডিডিআরবি। চীনের সিনোভেক কোম্পানির তৈরি করোনা ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে (ট্রায়াল) বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) অনুমোদন দিয়ছিল। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তখন বলেছিল, নৈতিক অনুমোদন যথেষ্ট নয়, ভ্যাকসিন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত দেবে সরকার। এরপর গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রণালয় চীনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দেয়।

চীনের ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল কবে নাগাদ বাংলাদেশে শুরু হবে জানতে চাইলে ড. কে জামান বলেন, বিএমআরসি আমাদের ট্রায়ালের জন্য ১৭ জুলাই অনুমোদন দেয়। মন্ত্রণালয় থেকে আমরা ২৭ আগস্ট অনুমতি পেয়েছি। সেদিন রাতেই আমরা সিনোভেক কোম্পানিকে অনুমোদনের বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছি। যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয়, আমরা সেগুলো তাদের পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা তাদের ভ্যাকসিন পাঠাতে বলেছি। আমি আজও সিনোভেকের সঙ্গে কথা বলেছি। পরবর্তী সপ্তাহে পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে তারাও নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছে না। কারণ এখানে সরকার এবং কাস্টমের বিষয় জড়িত রয়েছে। তবে আমি আশাবাদী এ মাসের মধ্যেই প্রথম পার্টিসিপেন্ট ইনডোর করতে পারব। যদি তার আগে সম্ভব হয়, তাহলে তো সেটা আরও ভালো হবে।

চীনের ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে বাংলাদেশের সুবিধা কী, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বর্তমানে কোন কোন দেশে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের ফেস-থ্রি ট্রায়াল হচ্ছে এটা সবাই জানে। ট্রায়াল হলে বাংলাদেশও ফেস-থ্রি ট্রায়ালের দেশের কাতারে চলে যাবে। এটা দেশের জন্য অনেক বড় সম্মানের বিষয়।

তিনি বলেন, দেশের বহু মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেই ভ্যাকসিনের ফেস-থ্রি ট্রায়াল যদি আমাদের দেশে হয়, সেটাতো আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। অন্য দেশ থেকে ভ্যাকসিন আনলে, তাদের সঙ্গে আমাদের খাবার-দাবার এবং জীবনযাপন, মিউটেশন, ইমিউনিটিসহ প্রায় সবকিছুর পার্থক্য থাকবে। এক্ষেত্রে সেই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল যদি বাংলাদেশে হয়ে থাকে, তাহলে সেটা আমাদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া। বড় বিষয় হচ্ছে সিনোভেক কোম্পানির সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, তারা আমাদের দেশের কোনো ওষুধ কোম্পানিকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং ট্যাকনিক্যাল সহায়তা দেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে চীনের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সেপ্টেম্বরেই শুরু হবে

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে চীনের সিনোভেক কোম্পানির করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ট্রায়াল এ মাসের মধ্যেই শুরু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পোলিও বিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. কে জামান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলানিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

চীনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) হিসেবে কাজ করছে আইসিডিডিআরবি। চীনের সিনোভেক কোম্পানির তৈরি করোনা ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে (ট্রায়াল) বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) অনুমোদন দিয়ছিল। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তখন বলেছিল, নৈতিক অনুমোদন যথেষ্ট নয়, ভ্যাকসিন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত দেবে সরকার। এরপর গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রণালয় চীনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দেয়।

চীনের ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল কবে নাগাদ বাংলাদেশে শুরু হবে জানতে চাইলে ড. কে জামান বলেন, বিএমআরসি আমাদের ট্রায়ালের জন্য ১৭ জুলাই অনুমোদন দেয়। মন্ত্রণালয় থেকে আমরা ২৭ আগস্ট অনুমতি পেয়েছি। সেদিন রাতেই আমরা সিনোভেক কোম্পানিকে অনুমোদনের বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছি। যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয়, আমরা সেগুলো তাদের পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা তাদের ভ্যাকসিন পাঠাতে বলেছি। আমি আজও সিনোভেকের সঙ্গে কথা বলেছি। পরবর্তী সপ্তাহে পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে তারাও নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছে না। কারণ এখানে সরকার এবং কাস্টমের বিষয় জড়িত রয়েছে। তবে আমি আশাবাদী এ মাসের মধ্যেই প্রথম পার্টিসিপেন্ট ইনডোর করতে পারব। যদি তার আগে সম্ভব হয়, তাহলে তো সেটা আরও ভালো হবে।

চীনের ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে বাংলাদেশের সুবিধা কী, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বর্তমানে কোন কোন দেশে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের ফেস-থ্রি ট্রায়াল হচ্ছে এটা সবাই জানে। ট্রায়াল হলে বাংলাদেশও ফেস-থ্রি ট্রায়ালের দেশের কাতারে চলে যাবে। এটা দেশের জন্য অনেক বড় সম্মানের বিষয়।

তিনি বলেন, দেশের বহু মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেই ভ্যাকসিনের ফেস-থ্রি ট্রায়াল যদি আমাদের দেশে হয়, সেটাতো আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। অন্য দেশ থেকে ভ্যাকসিন আনলে, তাদের সঙ্গে আমাদের খাবার-দাবার এবং জীবনযাপন, মিউটেশন, ইমিউনিটিসহ প্রায় সবকিছুর পার্থক্য থাকবে। এক্ষেত্রে সেই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল যদি বাংলাদেশে হয়ে থাকে, তাহলে সেটা আমাদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া। বড় বিষয় হচ্ছে সিনোভেক কোম্পানির সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, তারা আমাদের দেশের কোনো ওষুধ কোম্পানিকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং ট্যাকনিক্যাল সহায়তা দেবে।