ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

খাসির চামড়ার দাম ২০ টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পর চামড়া নিয়ে মাঠ পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। গরু কিংবা খাসি সব ধরনের চামড়ায় অনেকটা লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

এলাকায় ঘুরে একটি গরুর চামড়া গড়ে ৭০০-৮০০টাকা কিনলেও পাইকারি বাজারে দাম পাচ্ছে না অধিকাংশ চামড়া বিক্রেতা। বাধ্য হয়ে প্রতিটি চামড়া ৫০ থেকে ১০০ টাকা কম দামে কিংবা কেনা দামে বিক্রি করছে খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। সবচেয়ে বেশি লোকসান দিচ্ছে ছাগল বা খাসির চামড়ায়। প্রতিটি চামড়া ৫০ থেকে ১০০ টাকায় কিনলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়।

ফলে গতকাল গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলকায় খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতাদের অনেকটা হতাশ দেখা গেছে। তাদের দাবি মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেটে চামড়া বিক্রির ক্ষেত্রে লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে মধ্যস্বত্বভোগী বা পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি সরকার নির্ধারিত দামে তারা চামড়া কিনছে। তবে লবণের অতিরিক্ত দামের কারণে চামড়ার দাম কমে গেছে।

রাজধানী রামপুরার তাকওয়া মাদ্রাসা ও এতিমাখানা ১৫০টি গরুর চামড়া ও প্রায় ৮০টির মতো খাসির চামড়া সংগ্রহ করেছে। সাধারণত সন্ধ্যার মধ্যে বিক্রি করার কথা থাকলেও কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় গভীর রাতে বিক্রি করতে হয়েছে। তাও আবার অপেক্ষাকৃত কম দামে।

ওই মাদ্রাসার শিক্ষক সলিমু্ল্লাহ বলেন, আমরা সাধারণত এলাকার আশপাশ থেকে দান করা কিংবা নামমাত্র মূল্যে চামড়া সংগ্রহ করি। সেজন্য লোকসান গুণতে হয় না। তবে প্রকৃত অর্থে চামড়ার দাম নেই। সবচেয়ে সমস্যা ছাগলের চামড়ার ক্ষেত্রে। এই চামড়া কেউ নিতে চায় না। আমরা ৫০ থেকে ৭০ টাকা করে কিনলেও বিক্রি করলাম ২০-৩০ টাকায়। তবে আমরা অনেক চামড়া বিনামূল্যে পাওয়ায় পুষিয়ে নিতে পেরেছি। কিন্তু যারা সবগুলো কিনেছেন তাদের লোকসান গুণতে হয়েছে।

তবে ছোট পর্যায়ের পাইকারি বিক্রেতা হাসেম বলেন, আমি এ পর্যন্ত যা বিক্রি করেছে লোকসান দেইনি। যানবাহন খরচ বাদ দিয়ে প্রতিটি গরুর চামড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা লাভ করতে পেরেছি। তবে বকরির চামড়া সব সময়ই দাম কম হয়, কারণ অনেকেই নিজেরা কোরবানি ও মাংস বানানো কাজ করে বিধায় চামড়া নষ্ট করে ফেলে, ফলে ওই চামড়া কিনতে চায় না। তাই দাম কমে যায়। আমি ২০-৩০ টাকায় কিনে থাকি।

এর আগে কোরবানির ঈদের সকাল থেকে মাদ্রাসা কিংবা এতিমখানার সঙ্গে পাড়ায় মহল্লায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের গরু বা ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

এবারে সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকায় গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। যা ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। অন্যদিকে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা, বকরির চামড়ার প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং মহিষের চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৫ টাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

খাসির চামড়ার দাম ২০ টাকা

আপডেট সময় ০৪:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পর চামড়া নিয়ে মাঠ পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। গরু কিংবা খাসি সব ধরনের চামড়ায় অনেকটা লোকসানের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

এলাকায় ঘুরে একটি গরুর চামড়া গড়ে ৭০০-৮০০টাকা কিনলেও পাইকারি বাজারে দাম পাচ্ছে না অধিকাংশ চামড়া বিক্রেতা। বাধ্য হয়ে প্রতিটি চামড়া ৫০ থেকে ১০০ টাকা কম দামে কিংবা কেনা দামে বিক্রি করছে খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। সবচেয়ে বেশি লোকসান দিচ্ছে ছাগল বা খাসির চামড়ায়। প্রতিটি চামড়া ৫০ থেকে ১০০ টাকায় কিনলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়।

ফলে গতকাল গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলকায় খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতাদের অনেকটা হতাশ দেখা গেছে। তাদের দাবি মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেটে চামড়া বিক্রির ক্ষেত্রে লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে মধ্যস্বত্বভোগী বা পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি সরকার নির্ধারিত দামে তারা চামড়া কিনছে। তবে লবণের অতিরিক্ত দামের কারণে চামড়ার দাম কমে গেছে।

রাজধানী রামপুরার তাকওয়া মাদ্রাসা ও এতিমাখানা ১৫০টি গরুর চামড়া ও প্রায় ৮০টির মতো খাসির চামড়া সংগ্রহ করেছে। সাধারণত সন্ধ্যার মধ্যে বিক্রি করার কথা থাকলেও কাঙ্খিত দাম না পাওয়ায় গভীর রাতে বিক্রি করতে হয়েছে। তাও আবার অপেক্ষাকৃত কম দামে।

ওই মাদ্রাসার শিক্ষক সলিমু্ল্লাহ বলেন, আমরা সাধারণত এলাকার আশপাশ থেকে দান করা কিংবা নামমাত্র মূল্যে চামড়া সংগ্রহ করি। সেজন্য লোকসান গুণতে হয় না। তবে প্রকৃত অর্থে চামড়ার দাম নেই। সবচেয়ে সমস্যা ছাগলের চামড়ার ক্ষেত্রে। এই চামড়া কেউ নিতে চায় না। আমরা ৫০ থেকে ৭০ টাকা করে কিনলেও বিক্রি করলাম ২০-৩০ টাকায়। তবে আমরা অনেক চামড়া বিনামূল্যে পাওয়ায় পুষিয়ে নিতে পেরেছি। কিন্তু যারা সবগুলো কিনেছেন তাদের লোকসান গুণতে হয়েছে।

তবে ছোট পর্যায়ের পাইকারি বিক্রেতা হাসেম বলেন, আমি এ পর্যন্ত যা বিক্রি করেছে লোকসান দেইনি। যানবাহন খরচ বাদ দিয়ে প্রতিটি গরুর চামড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা লাভ করতে পেরেছি। তবে বকরির চামড়া সব সময়ই দাম কম হয়, কারণ অনেকেই নিজেরা কোরবানি ও মাংস বানানো কাজ করে বিধায় চামড়া নষ্ট করে ফেলে, ফলে ওই চামড়া কিনতে চায় না। তাই দাম কমে যায়। আমি ২০-৩০ টাকায় কিনে থাকি।

এর আগে কোরবানির ঈদের সকাল থেকে মাদ্রাসা কিংবা এতিমখানার সঙ্গে পাড়ায় মহল্লায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের গরু বা ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

এবারে সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকায় গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। যা ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। অন্যদিকে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা, বকরির চামড়ার প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং মহিষের চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৫ টাকা।