ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু ভালুকায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

বন্ধ পাটকলগুলো পিপিপির আওতায় চালু হচ্ছে: মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। একইসঙ্গে মিলগুলোকে উপযুক্ত ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন ও পুনরায় চালু এবং বিজেএমসি’র জনবল কাঠামো পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে যৌক্তিকীকরণের বিষয়ে সুপারিশ দিতে গঠিত উচ্চপর্যায়ের দুটি কমিটি ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকারে মন্ত্রী বলেন, ‘বহুমুখী পাটপণ্যের বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনর্বিন্যাস করে বিজেএমসি’র বন্ধ ঘোষিত মিলগুলো জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করতে কাজ করছে সরকার। অবসায়নের পরে দেশের পাটকলগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ জিটুজি বা লিজ মডেলে পরিচালনার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে।’

ধারাবাহিকভাবে লোকসানে থাকা দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের উৎপাদন ইতিমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজিএমসির অধীন এসব পাটকলের মধ্যে একটি বাদে সবগুলোই সচল ছিল। পাটখাতের রপ্তানি আয় যখন বাড়ছিল, তখন সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবাক করেছে এ খাতের অনেককে। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে এসব পাটকলের ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী কর্মচারীকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে অবসরে পাঠানো নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের চাকরি অবসান এবং পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট সব বিধান অনুসরণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের পাওনার পরিমাণ নির্ধারণ এবং তা পরিশোধের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের চাকরি ১ জুলাই থেকে অবসান করায় শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের নোটিশ মেয়াদের মজুরি ছাড়া ওই দিনের পর তাদের আর কোনো দাবি বা পাওনা নেই।’ ইতিমধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে নোটিশ মেয়াদের অর্ধেক (৩০ দিনের) মজুরি পরিশোধ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

কৃষকের উৎপাদিত পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে জানিয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, পাট ক্রয়-বিক্রয় সহজীকরণের জন্য এসএমএসভিত্তিক পাট ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থাকরণ, কাঁচাপাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বড়াতে কাজ করা হচ্ছে।’

এছাড়া দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় পাট চাষিদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি পাট শিল্পের সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তা সরকার দেবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি

বন্ধ পাটকলগুলো পিপিপির আওতায় চালু হচ্ছে: মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। একইসঙ্গে মিলগুলোকে উপযুক্ত ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন ও পুনরায় চালু এবং বিজেএমসি’র জনবল কাঠামো পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে যৌক্তিকীকরণের বিষয়ে সুপারিশ দিতে গঠিত উচ্চপর্যায়ের দুটি কমিটি ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকারে মন্ত্রী বলেন, ‘বহুমুখী পাটপণ্যের বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনর্বিন্যাস করে বিজেএমসি’র বন্ধ ঘোষিত মিলগুলো জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করতে কাজ করছে সরকার। অবসায়নের পরে দেশের পাটকলগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ জিটুজি বা লিজ মডেলে পরিচালনার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে।’

ধারাবাহিকভাবে লোকসানে থাকা দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের উৎপাদন ইতিমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজিএমসির অধীন এসব পাটকলের মধ্যে একটি বাদে সবগুলোই সচল ছিল। পাটখাতের রপ্তানি আয় যখন বাড়ছিল, তখন সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবাক করেছে এ খাতের অনেককে। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে এসব পাটকলের ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী কর্মচারীকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে অবসরে পাঠানো নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের চাকরি অবসান এবং পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট সব বিধান অনুসরণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের পাওনার পরিমাণ নির্ধারণ এবং তা পরিশোধের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের চাকরি ১ জুলাই থেকে অবসান করায় শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের নোটিশ মেয়াদের মজুরি ছাড়া ওই দিনের পর তাদের আর কোনো দাবি বা পাওনা নেই।’ ইতিমধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে নোটিশ মেয়াদের অর্ধেক (৩০ দিনের) মজুরি পরিশোধ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

কৃষকের উৎপাদিত পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে জানিয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, পাট ক্রয়-বিক্রয় সহজীকরণের জন্য এসএমএসভিত্তিক পাট ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থাকরণ, কাঁচাপাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা ও অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বড়াতে কাজ করা হচ্ছে।’

এছাড়া দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় পাট চাষিদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি পাট শিল্পের সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তা সরকার দেবে বলেও জানান তিনি।