ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রাখাইন ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমারের এই দুইপক্ষের মধ্যে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা ও কোফি আনানের নেতৃত্বে গঠিত রাখাইন পরামর্শক কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

রাখাইন নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাজ্য মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বুধবার (৩০ আগস্ট) আলোচনার দিন ধার্য হয়।

কূটনীতিক সূত্র জানায় নিরাপত্তা পরিষদের ১২ থেকে ১৩ সদস্য রাখাইন ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তারা বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাহায্য অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশা প্রকাশ করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ আলোচনা চলে। সূত্র আরও জানায়, বৈঠকের শুরুতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ ইয়াংকা রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে একটি বক্তব্য দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাখাইনে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠনগুলোকে অত্যন্ত সীমিত আকারে কাজ করতে হচ্ছে এবং এরফলে তাদের কাছে গোটা পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র নেই। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে রাখাইন পরিস্থিতি দেখার জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু মিয়ানমারের বিরোধীতা করার কারণে তারা রাখাইনে যেতে পারেনি। এ বিষয়টি নিয়েও নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হয়।

পরবর্তীতে এ ধরনের আলোচনা আর হবে কিনা জানতে চাইলে সূত্র জানায়, পরিস্থিতি খারাপ হলে ভবিষ্যতে আবার আলোচনা হতে পারে।

আগস্ট মাসের ২৫ তারিখে রাখাইন রাজ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৮০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা ও ১২ জন পুলিশ নিহত হয়। এরপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনী নিরীহ ও নিরস্ত্র রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ওপর হামলা চালায়। গত শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত ১৮হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

আপডেট সময় ০১:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রাখাইন ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা মিয়ানমারের এই দুইপক্ষের মধ্যে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা ও কোফি আনানের নেতৃত্বে গঠিত রাখাইন পরামর্শক কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

রাখাইন নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাজ্য মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বুধবার (৩০ আগস্ট) আলোচনার দিন ধার্য হয়।

কূটনীতিক সূত্র জানায় নিরাপত্তা পরিষদের ১২ থেকে ১৩ সদস্য রাখাইন ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তারা বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাহায্য অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশা প্রকাশ করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ আলোচনা চলে। সূত্র আরও জানায়, বৈঠকের শুরুতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ ইয়াংকা রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে একটি বক্তব্য দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাখাইনে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠনগুলোকে অত্যন্ত সীমিত আকারে কাজ করতে হচ্ছে এবং এরফলে তাদের কাছে গোটা পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র নেই। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে রাখাইন পরিস্থিতি দেখার জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু মিয়ানমারের বিরোধীতা করার কারণে তারা রাখাইনে যেতে পারেনি। এ বিষয়টি নিয়েও নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হয়।

পরবর্তীতে এ ধরনের আলোচনা আর হবে কিনা জানতে চাইলে সূত্র জানায়, পরিস্থিতি খারাপ হলে ভবিষ্যতে আবার আলোচনা হতে পারে।

আগস্ট মাসের ২৫ তারিখে রাখাইন রাজ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৮০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা ও ১২ জন পুলিশ নিহত হয়। এরপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনী নিরীহ ও নিরস্ত্র রোহিঙ্গা জনগোষ্টির ওপর হামলা চালায়। গত শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত ১৮হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।