ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

চাঞ্চল্যকর নিখিল হত্যায় এএসআই শামীম গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অবশেষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় চাঞ্চল্যকর নিখিল তালুকদার হত্যা মামলায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শামীম হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার রাতে কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাত সাড়ে ৯টায় নিহতের ছোট ভাই মন্টু তালুকদার বাদী হয়ে এএসআই (সহকারী উপপরিদর্শক) শামীম হাসান ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন, যার মামলা নং-০১, ০৭-০৬-২০।

মামলার আসামি এএসআই শামীম হাসান ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি শেখ লুৎফর রহমান।

গত ২ জুন বিকালে রামশীল বাজারের ব্রিজের পূর্ব পাশে নিখিলসহ চারজন তাস খেলছিল। ওই সময় কোটালীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক শামীম হাসান একজন ভ্যানচালক ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে নিয়ে সেখানে যায় এবং আড়ালে দাঁড়িয়ে মোবাইলে তাস খেলার দৃশ্য ধারণ করে।

তাস খেলতে থাকা ওই চার ব্যক্তি যখন দেখতে পায় তাদের খেলা মোবাইলে ধারণ করছে, তখন তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় অন্য তিনজন পালিয়ে গেলেও নিখিলকে শামীম হাসান ধরে মারপিট করতে থাকে এবং হাঁটু দিয়ে মেরুদণ্ডে আঘাত করে। এতে নিখিলের মেরুদণ্ড তিন খণ্ড হয়ে যায়।

আহতাবস্থায় স্বজনরা তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) আসলাম খানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট বিভাগীয় তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

গত শনিবার কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ ঘটনায় একটি মীমাংসা বৈঠক হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই মীমাংসা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকে নিহত নিখিলের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ও তার স্ত্রী ইতি তালুকদার এবং ছোট ভাই মন্টু তালুকদারকে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চাঞ্চল্যকর নিখিল হত্যায় এএসআই শামীম গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অবশেষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় চাঞ্চল্যকর নিখিল তালুকদার হত্যা মামলায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শামীম হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার রাতে কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাত সাড়ে ৯টায় নিহতের ছোট ভাই মন্টু তালুকদার বাদী হয়ে এএসআই (সহকারী উপপরিদর্শক) শামীম হাসান ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন, যার মামলা নং-০১, ০৭-০৬-২০।

মামলার আসামি এএসআই শামীম হাসান ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি শেখ লুৎফর রহমান।

গত ২ জুন বিকালে রামশীল বাজারের ব্রিজের পূর্ব পাশে নিখিলসহ চারজন তাস খেলছিল। ওই সময় কোটালীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক শামীম হাসান একজন ভ্যানচালক ও পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলকে নিয়ে সেখানে যায় এবং আড়ালে দাঁড়িয়ে মোবাইলে তাস খেলার দৃশ্য ধারণ করে।

তাস খেলতে থাকা ওই চার ব্যক্তি যখন দেখতে পায় তাদের খেলা মোবাইলে ধারণ করছে, তখন তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় অন্য তিনজন পালিয়ে গেলেও নিখিলকে শামীম হাসান ধরে মারপিট করতে থাকে এবং হাঁটু দিয়ে মেরুদণ্ডে আঘাত করে। এতে নিখিলের মেরুদণ্ড তিন খণ্ড হয়ে যায়।

আহতাবস্থায় স্বজনরা তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) আসলাম খানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট বিভাগীয় তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

গত শনিবার কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ ঘটনায় একটি মীমাংসা বৈঠক হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই মীমাংসা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকে নিহত নিখিলের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ও তার স্ত্রী ইতি তালুকদার এবং ছোট ভাই মন্টু তালুকদারকে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়।