ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই চালু হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিসিক শিল্পনগরীর কয়েল ফ্যাক্টরিতে আগুন আইএমএফের শর্ত মেনে কি পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারবে সরকার? গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে: তথ‍্যমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাছ ধরতে গিয়ে মেয়ের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা যে সরকার মানুষের খোঁজ নেওয়ার সময় পায় না, এটা কোনো সরকারই না: জামায়াত আমির বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদীর পানি, সমুদ্রও উত্তাল তালিকায় ১ নম্বরে আমার নাম, আমি মরলে তোমরাও মরবে: ট্রাম্প সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

শ্বাসকষ্ট বেড়েছে ডা. জাফরুল্লাহর, জ্বর নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শ্বাসকষ্ট কিছুটা বাড়লেও শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তাকে নিয়মিত অক্সিজেন নিতে হচ্ছে। শরীরে জ্বর নেই। গত ৪ দিন ধরে তার এই শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন নেই।

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও জিআর কভিড-১৯ র্যা পিড ডট ব্লট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার এই তথ্য জানিয়ে বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল বাট স্ট্যাবল’।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ জানান, গত রাতেও জাফরুল্লাহর অবস্থার অবনতি হয়নি। ওই রকমই ছিল। তবে রক্তচাপ ও শারীরিক অন্যান্য অবস্থা বিবেচনায় তার অবস্থা স্থিতিশীল। তার নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে। গতকালের মত আজকেও নাস্তা, ওষুধ খেয়েছেন।

জানা গেছে, আগে সপ্তাহে তিনদিন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কিডনি ডায়ালাইসিস করা লাগতো। তবে এখন শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রতিদিন তাকে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। ২৫ মে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে তাকে দু’বার প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়েছে।
আজ তার আরেকবার করোনা টেস্ট করার কথা রয়েছে।

গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফি, অধ্যাপক ডা. নজীবের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন ডা. জাফরুল্লাহ।

প্রসঙ্গত, ৫ মে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষাতেই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পিসিআর পরীক্ষাতেও তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। ডা. জাফরুল্লাহ ছাড়াও তার স্ত্রী শিরীন হক ও ছেলে বারিশ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত। তারা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার কিছুদিন পর থেকে এই ভাইরাস শনাক্তরণে কিট উদ্ভাবনে নামে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের একটি দল তা উদ্ভাবনও করেছে। এ কিট উদ্ভাবন প্রক্রিয়া মিডিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগের সমন্বয় করে আসছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

উদ্ভাবিত এ কিটের সক্ষমতা যাচাই চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। এ পরীক্ষায় সফলতা পেলে চূড়ান্ত র্যা পট ডট ব্লট কিট ব্যবহারের অনুমোদন দেবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দলের প্রয়োজনে ছুটি বাতিল তাসকিনের, ওয়ানডে দলে ফিরলেন সাইফউদ্দিন

শ্বাসকষ্ট বেড়েছে ডা. জাফরুল্লাহর, জ্বর নেই

আপডেট সময় ০১:২২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শ্বাসকষ্ট কিছুটা বাড়লেও শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তাকে নিয়মিত অক্সিজেন নিতে হচ্ছে। শরীরে জ্বর নেই। গত ৪ দিন ধরে তার এই শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন নেই।

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ও জিআর কভিড-১৯ র্যা পিড ডট ব্লট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার এই তথ্য জানিয়ে বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল বাট স্ট্যাবল’।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ জানান, গত রাতেও জাফরুল্লাহর অবস্থার অবনতি হয়নি। ওই রকমই ছিল। তবে রক্তচাপ ও শারীরিক অন্যান্য অবস্থা বিবেচনায় তার অবস্থা স্থিতিশীল। তার নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে। গতকালের মত আজকেও নাস্তা, ওষুধ খেয়েছেন।

জানা গেছে, আগে সপ্তাহে তিনদিন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কিডনি ডায়ালাইসিস করা লাগতো। তবে এখন শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় প্রতিদিন তাকে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। ২৫ মে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে তাকে দু’বার প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়েছে।
আজ তার আরেকবার করোনা টেস্ট করার কথা রয়েছে।

গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফি, অধ্যাপক ডা. নজীবের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন ডা. জাফরুল্লাহ।

প্রসঙ্গত, ৫ মে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষাতেই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পিসিআর পরীক্ষাতেও তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। ডা. জাফরুল্লাহ ছাড়াও তার স্ত্রী শিরীন হক ও ছেলে বারিশ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত। তারা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার কিছুদিন পর থেকে এই ভাইরাস শনাক্তরণে কিট উদ্ভাবনে নামে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের একটি দল তা উদ্ভাবনও করেছে। এ কিট উদ্ভাবন প্রক্রিয়া মিডিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগের সমন্বয় করে আসছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

উদ্ভাবিত এ কিটের সক্ষমতা যাচাই চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। এ পরীক্ষায় সফলতা পেলে চূড়ান্ত র্যা পট ডট ব্লট কিট ব্যবহারের অনুমোদন দেবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।