ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন সমীকরণে আসতে পারে ছুটির সিদ্ধান্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সাধারণ ছুটি আরো বাড়বে কিনা তা বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জানা যাবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত যাইহোক থাকবে নতুন সমীকরণে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান ছুটি বাড়া বা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে বৃহস্পতিবার জানা যাবে বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

গত ২৬ মার্চ থেকে কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর সবশেষ ছুটি ৩০ মে শনিবার পর্যন্ত ঘোষণা করা আছে।

এবার ঈদের মধ্যেই এই ছুটি পড়ে ঈদের পর নতুন সমীকরণে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন।

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন, এখন প্রতিদিনই করোনা রোগী বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিক দিকও বিবেচনা করতে হবে।

এবার ছুটি বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে এসব বিষয় পর্যালোচনায় করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

ফরহাদ হোসেন বলেন, সবাই যেন খাদ্য সংস্থান করে খেতে পারে এবং স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড করতে পারি; আমরা ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবো না।

ছুটির বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এদিকে, ছুটির কারণে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ১৭ মার্চ থেকে। করোনা রোগী বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহসাই খোলার সম্ভাবনা কম।

জুন মাসে বাজেট অধিবেশন ছাড়াও দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে আর ছুটি না বাড়িয়ে সীমিত পরিসরে গণপরিবহনও চলাচলের সুযোগ করে দেওয়া হবে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন সমীকরণে আসতে পারে ছুটির সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৪:৪৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সাধারণ ছুটি আরো বাড়বে কিনা তা বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জানা যাবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত যাইহোক থাকবে নতুন সমীকরণে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান ছুটি বাড়া বা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে বৃহস্পতিবার জানা যাবে বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

গত ২৬ মার্চ থেকে কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর সবশেষ ছুটি ৩০ মে শনিবার পর্যন্ত ঘোষণা করা আছে।

এবার ঈদের মধ্যেই এই ছুটি পড়ে ঈদের পর নতুন সমীকরণে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন।

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন, এখন প্রতিদিনই করোনা রোগী বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিক দিকও বিবেচনা করতে হবে।

এবার ছুটি বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে এসব বিষয় পর্যালোচনায় করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

ফরহাদ হোসেন বলেন, সবাই যেন খাদ্য সংস্থান করে খেতে পারে এবং স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড করতে পারি; আমরা ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবো না।

ছুটির বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এদিকে, ছুটির কারণে জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ১৭ মার্চ থেকে। করোনা রোগী বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহসাই খোলার সম্ভাবনা কম।

জুন মাসে বাজেট অধিবেশন ছাড়াও দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনা করে আর ছুটি না বাড়িয়ে সীমিত পরিসরে গণপরিবহনও চলাচলের সুযোগ করে দেওয়া হবে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।